চন্দনাইশে মোমবাতির প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের মা আহত, প্রচারনার শেষ মুহুর্তে সহিংসতায় আহত ১০

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব সংবাদদাতা,
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কাল ১৪ ফেব্রুয়ারী চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে পৃথক পৃথক সহিংসতায় মেয়র প্রার্থীর মাথসহ ১০ জনের অধিক আহত হয়। আহতদেরকে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী সকালে গণসংযোগ করাকালে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী অজয় দত্ত ও সুজন সরকারের সমর্থকদের মধ্যে জোয়ারা হিন্দুপাড়া এলাকায় সংঘর্ষ হয়।

এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাজির পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মানিক (২৬), জোয়ারা এলাকার অঞ্জন চৌধুরীর ছেলে দীপ চৌধুরী, সৌরভ দাশের স্ত্রী তমা দাশ (২৪), সুধীর ঘোষের ছেলে ইমন ঘোষ(২০), মৃত হরিশ চন্দ্র দত্তথর ছেলে মিন্টু দত্ত (৭০), রুপন দত্তের স্ত্রী সুপর্ণা দত্ত(৩০), নয়ন সর্দার (৩০) আহত হয়। এদিকে সন্ধ্যায় একদল দুস্কৃতিকারী মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের ঘরে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় তার ঘরের জানালার পাশে দাড়াঁলে জানালার কাঁচ ভেঙ্গে তার মা ফাতেমা বেগম (৬০)থর মাথায় লেগে গুরতর আহত হয়। অন্যদিকে চন্দনাইশ সদর এলাকায় সন্ধ্যায় একই দলের ২ গ্রুপের মধ্যে ইট পাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় চৌধুরী পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে মিজানুল হক চৌধুরী (২৩), চন্দনাইশ সদরে ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ইয়াছিনুুর রহমান (১৮), মকবুল হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রী মো. ফরিদ (৩০) আহত হয়। আহতদেরকে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

সন্ধ্যার পর থেকে হঠাৎ করে নির্বাচনী এলাকার কিছু কিছু অংশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ এ সকল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।

মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ফারুক বাহাদুর বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা তাদের দলীয় স্লোগান দিয়ে মাগরিবের নামাজের সময় তার বাড়িতে ইচ্ছাকৃতভাবে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ঘরের দরজা-জানালার কাঁচ ভাংচুর করে ক্ষতি সাধন করে। তার মাকে ইটের টুকরা মেরে আহত করে। তিনি এ অনৈতিক হামলার জন্য নিন্দা জানিয়েছেন।

এদিকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহাবুবুল আলম খোকা বলেছেন, যারা প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের ঘরে হামলা করেছে তারা কেউ তার দলের সদস্য বা সমর্থক নয়। তার সু-নিশ্চিত জয়কে অন্যভাবে প্রভাহিত করতে একটি মহল এধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেষ্টা করছে বলে তিনি দাবী করেছেন। (ছবি আছে)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চন্দনাইশে মোমবাতির প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের মা আহত, প্রচারনার শেষ মুহুর্তে সহিংসতায় আহত ১০

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

নিজস্ব সংবাদদাতা,
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

কাল ১৪ ফেব্রুয়ারী চন্দনাইশ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে পৃথক পৃথক সহিংসতায় মেয়র প্রার্থীর মাথসহ ১০ জনের অধিক আহত হয়। আহতদেরকে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী সকালে গণসংযোগ করাকালে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী অজয় দত্ত ও সুজন সরকারের সমর্থকদের মধ্যে জোয়ারা হিন্দুপাড়া এলাকায় সংঘর্ষ হয়।

এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাজির পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মানিক (২৬), জোয়ারা এলাকার অঞ্জন চৌধুরীর ছেলে দীপ চৌধুরী, সৌরভ দাশের স্ত্রী তমা দাশ (২৪), সুধীর ঘোষের ছেলে ইমন ঘোষ(২০), মৃত হরিশ চন্দ্র দত্তথর ছেলে মিন্টু দত্ত (৭০), রুপন দত্তের স্ত্রী সুপর্ণা দত্ত(৩০), নয়ন সর্দার (৩০) আহত হয়। এদিকে সন্ধ্যায় একদল দুস্কৃতিকারী মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের ঘরে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় তার ঘরের জানালার পাশে দাড়াঁলে জানালার কাঁচ ভেঙ্গে তার মা ফাতেমা বেগম (৬০)থর মাথায় লেগে গুরতর আহত হয়। অন্যদিকে চন্দনাইশ সদর এলাকায় সন্ধ্যায় একই দলের ২ গ্রুপের মধ্যে ইট পাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় চৌধুরী পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে মিজানুল হক চৌধুরী (২৩), চন্দনাইশ সদরে ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ইয়াছিনুুর রহমান (১৮), মকবুল হোসেনের ছেলে রাজমিস্ত্রী মো. ফরিদ (৩০) আহত হয়। আহতদেরকে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়।

সন্ধ্যার পর থেকে হঠাৎ করে নির্বাচনী এলাকার কিছু কিছু অংশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ এ সকল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।

মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী ফারুক বাহাদুর বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা তাদের দলীয় স্লোগান দিয়ে মাগরিবের নামাজের সময় তার বাড়িতে ইচ্ছাকৃতভাবে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ঘরের দরজা-জানালার কাঁচ ভাংচুর করে ক্ষতি সাধন করে। তার মাকে ইটের টুকরা মেরে আহত করে। তিনি এ অনৈতিক হামলার জন্য নিন্দা জানিয়েছেন।

এদিকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহাবুবুল আলম খোকা বলেছেন, যারা প্রার্থী ফারুক বাহাদুরের ঘরে হামলা করেছে তারা কেউ তার দলের সদস্য বা সমর্থক নয়। তার সু-নিশ্চিত জয়কে অন্যভাবে প্রভাহিত করতে একটি মহল এধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেষ্টা করছে বলে তিনি দাবী করেছেন। (ছবি আছে)