চুয়েটে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১ ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাসুদা আকতার তিশা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১৭ এপ্রিল (শনিবার) সকাল ১১ টায় উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী।

উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, “আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের স্মরণীয় একটি দিন। আজ আমরা ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠনের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। মুজিবনগর সরকার ছিল বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম নিয়ামক। সেদিন আমাদের জাতীয় চার নেতা অস্থায়ী সরকার গঠন, তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধে সম্পৃক্ত করা, সর্বোপরি সঠিক ও সুচারুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মত কঠিন কাজটি দক্ষতার সাথেই সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন বলেই মাত্র নয় মাসের মাথায় আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম একটি দেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে এদেশের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করার কাজটি অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল।”

তিনি আরো বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে করোনার ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। দেশ হারিয়েছে অনেক গুণী জাতীয় ব্যক্তিত্বকে। আমরাও অনেক স্বজন ও নিকটাত্মীদের হারিয়েছি। এই দুর্যোগময় মুহূর্তে নিন্মবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।”

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, প্রভোস্টগণের পক্ষে শহীদ তারেক হুদা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এম.কে. জিয়াউল হায়দার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চুয়েটে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১

মাসুদা আকতার তিশা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১৭ এপ্রিল (শনিবার) সকাল ১১ টায় উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী।

উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, “আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের স্মরণীয় একটি দিন। আজ আমরা ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকার গঠনের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। মুজিবনগর সরকার ছিল বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম নিয়ামক। সেদিন আমাদের জাতীয় চার নেতা অস্থায়ী সরকার গঠন, তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধে সম্পৃক্ত করা, সর্বোপরি সঠিক ও সুচারুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মত কঠিন কাজটি দক্ষতার সাথেই সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন বলেই মাত্র নয় মাসের মাথায় আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম একটি দেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে এদেশের কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করার কাজটি অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল।”

তিনি আরো বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে করোনার ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। দেশ হারিয়েছে অনেক গুণী জাতীয় ব্যক্তিত্বকে। আমরাও অনেক স্বজন ও নিকটাত্মীদের হারিয়েছি। এই দুর্যোগময় মুহূর্তে নিন্মবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।”

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, প্রভোস্টগণের পক্ষে শহীদ তারেক হুদা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এম.কে. জিয়াউল হায়দার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন।