টেকনাফে যুবলীগ হত্যা মামলার প্রধান আসামী নুর মোহাম্মদ বন্দুকযুদ্ধে নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, টেকনাফঃ
টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যার প্রধান আসামী শীর্ষ সন্ত্রাসী নূর মোহাম্মদ পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গত ২২ আগস্ট তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে ‘খুন’ করে।

প্রসঙ্গত, টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরায় গত ২২ আগস্ট রাতে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে (৩০) গুলি করে হত্যা করা হয়। তার বড় ভাই ওসমান গণি অভিযোগ করেন, একদল রোহিঙ্গা তার ভাইকে বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশের একটি পাহাড়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

ওমর ফারুক খুনের ঘটনায় শুক্রবার শতাধিক বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা একটি রোহিঙ্গা শিবিরে হামলা চালিয়ে অস্থায়ী ঘরবাড়ি ও এনজিও অফিসগুলোতে ভাঙচুর করে।

তারা টায়ার এবং প্লাস্টিকের বক্স জ্বালিয়ে টেকনাফ পৌরসভা থেকে লেদা পয়েন্ট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক তিন ঘণ্টা অবরোধ করে। রোহিঙ্গা নেতা নূর মোহাম্মদের বাড়িও জ্বালিয়ে দেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টেকনাফে যুবলীগ হত্যা মামলার প্রধান আসামী নুর মোহাম্মদ বন্দুকযুদ্ধে নিহত

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, টেকনাফঃ
টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যার প্রধান আসামী শীর্ষ সন্ত্রাসী নূর মোহাম্মদ পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গত ২২ আগস্ট তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে ‘খুন’ করে।

প্রসঙ্গত, টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরায় গত ২২ আগস্ট রাতে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে (৩০) গুলি করে হত্যা করা হয়। তার বড় ভাই ওসমান গণি অভিযোগ করেন, একদল রোহিঙ্গা তার ভাইকে বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশের একটি পাহাড়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

ওমর ফারুক খুনের ঘটনায় শুক্রবার শতাধিক বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা একটি রোহিঙ্গা শিবিরে হামলা চালিয়ে অস্থায়ী ঘরবাড়ি ও এনজিও অফিসগুলোতে ভাঙচুর করে।

তারা টায়ার এবং প্লাস্টিকের বক্স জ্বালিয়ে টেকনাফ পৌরসভা থেকে লেদা পয়েন্ট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক তিন ঘণ্টা অবরোধ করে। রোহিঙ্গা নেতা নূর মোহাম্মদের বাড়িও জ্বালিয়ে দেয়া হয়।