টেকনাফে হাকিম ডাকাতের ভাই ও স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০১৯ ১১০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টেকনাফে হাকিম ডাকাতের ভাই ও স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

টেকনাফ প্রতিনিধিঃ

টেকনাফে পাহাড়ি এলাকা থেকে নারীসহ দুইজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন, টেকনাফের পল্লান পাড়া এলাকার শীর্ষ ডাকাত আব্দুল হাকিমের স্ত্রী রুবি আক্তার (২৫) এবং মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে কবির আহমদ (৪০)। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় গুলিবিদ্ধ দুইজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ দুইজনের লাশ উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শোভন দাস বলেন, সকালে পুলিশ এক নারীসহ দুজনকে নিয়ে আসেন। তাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুলির চিহ্ন ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টেকনাফে হাকিম ডাকাতের ভাই ও স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০১৯

টেকনাফে হাকিম ডাকাতের ভাই ও স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ

টেকনাফ প্রতিনিধিঃ

টেকনাফে পাহাড়ি এলাকা থেকে নারীসহ দুইজনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন, টেকনাফের পল্লান পাড়া এলাকার শীর্ষ ডাকাত আব্দুল হাকিমের স্ত্রী রুবি আক্তার (২৫) এবং মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে কবির আহমদ (৪০)। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় গুলিবিদ্ধ দুইজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ দুইজনের লাশ উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শোভন দাস বলেন, সকালে পুলিশ এক নারীসহ দুজনকে নিয়ে আসেন। তাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুলির চিহ্ন ছিল।