টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের হস্তক্ষেপে ভুক্তভোগীরা ফিরে পেলেন জবরদখল হওয়া জমি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯ ২০৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জসিম উদ্দিন, টেকনাফ:
মাদক বিরোধী অভিযানে সাঁড়াশী ভুমিকা রেখে প্রশংসিত হওয়া টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের হস্তক্ষেপে এইবার বেদখল হওয়া জমি ফিরে পেলেন ভুক্তভোগী চার ভাই। এ উপলক্ষে জমি মালিকদের পক্ষ থেকে শুকরিয়া সভার আয়োজন করা হয়। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি স্থানীয় সাংসদ, জেলা পুলিশ সুপার, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ওসি প্রদীপের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

জানা যায়, ১৯৯৯ সনে টেকনাফ মৌজার সীবীচ সড়কের পাশে ২০ শতক জমি ক্রয় করে খতিয়ান(বিএস-৭৯৯) সৃজন করেন এবং ভোগদখল করতে থাকেন মৌলভী মনির গং। প্রায় একযুগ পর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করে ২০১৩ইং সালে জমিটি জবর দখল করে নেন। এরপর জমিটি ফিরে পেতে মালিকরা আদালতে মামলা দায়ের করার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন মাধ্যমে বিচার সালিশ দেন।

আদালত বেশ কয়েকবার জমির মালিকানার স্বপক্ষে রায় দেন এবং স্থানীয় শালিস বিচারেও মৌলভী মনির গং জমির প্রকৃত মালিক বলে সাব্যস্থ্য করেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচারের রায় পেলেও পেশী শক্তির ভয়ে জমির দখল বুঝে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে টেকনাফ থানার সাহসী ওসি প্রদীপ কুমার দাশের শরণাপন্ন হলে তিনি যাচাই বাছাই করে করে প্রকৃত মালিকের কাছে জমি ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগ নেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করে মৌলভী মনির গংকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগী জমি মালিকরা স্বস্থি প্রকাশ করেন এবং তাক্ষনিক শুকরিয়া সভার আয়োজন করেন।

এতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদি, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এএসআই সঞ্জীব দত্ত, কামরুল ইসলামের জন্যও দোয়া কামনা করেন। দোয়া কামনায় করে মৌলভী মনির বলেন, “ন্যায় বিচারের সঠিক পদক্ষেপের কারণে দীর্ঘদিন পরে আমরা নিরীহ মজলুম মানুষেরা আমাদের থেকে জোরপূর্বক ভাবে কেড়ে নেওয়া জমি ফেরত পেতে সক্ষম হয়েছি তাই আমি বিশেষভাবে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, কামরুল ইসলাম ও সঞ্জীব দত্তের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকব।

বর্তমানে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ যেভাবে সাহসিকতার সাথে লড়াই করে মাদক সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে এ অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ওসি প্রদীপ কুমার দাশ পদোন্নতি কামনা করেন তিনি। এছাড়া আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই সরকার যেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে আজীবন টেকনাফ থানায় বহাল রাখেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের হস্তক্ষেপে ভুক্তভোগীরা ফিরে পেলেন জবরদখল হওয়া জমি।

আপডেট সময় : ১০:২৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯

জসিম উদ্দিন, টেকনাফ:
মাদক বিরোধী অভিযানে সাঁড়াশী ভুমিকা রেখে প্রশংসিত হওয়া টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের হস্তক্ষেপে এইবার বেদখল হওয়া জমি ফিরে পেলেন ভুক্তভোগী চার ভাই। এ উপলক্ষে জমি মালিকদের পক্ষ থেকে শুকরিয়া সভার আয়োজন করা হয়। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি স্থানীয় সাংসদ, জেলা পুলিশ সুপার, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ওসি প্রদীপের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

জানা যায়, ১৯৯৯ সনে টেকনাফ মৌজার সীবীচ সড়কের পাশে ২০ শতক জমি ক্রয় করে খতিয়ান(বিএস-৭৯৯) সৃজন করেন এবং ভোগদখল করতে থাকেন মৌলভী মনির গং। প্রায় একযুগ পর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ভুয়া কাগজপত্র তৈরী করে ২০১৩ইং সালে জমিটি জবর দখল করে নেন। এরপর জমিটি ফিরে পেতে মালিকরা আদালতে মামলা দায়ের করার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন মাধ্যমে বিচার সালিশ দেন।

আদালত বেশ কয়েকবার জমির মালিকানার স্বপক্ষে রায় দেন এবং স্থানীয় শালিস বিচারেও মৌলভী মনির গং জমির প্রকৃত মালিক বলে সাব্যস্থ্য করেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচারের রায় পেলেও পেশী শক্তির ভয়ে জমির দখল বুঝে পাচ্ছিলেন না। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে টেকনাফ থানার সাহসী ওসি প্রদীপ কুমার দাশের শরণাপন্ন হলে তিনি যাচাই বাছাই করে করে প্রকৃত মালিকের কাছে জমি ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগ নেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করে মৌলভী মনির গংকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগী জমি মালিকরা স্বস্থি প্রকাশ করেন এবং তাক্ষনিক শুকরিয়া সভার আয়োজন করেন।

এতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদি, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এএসআই সঞ্জীব দত্ত, কামরুল ইসলামের জন্যও দোয়া কামনা করেন। দোয়া কামনায় করে মৌলভী মনির বলেন, “ন্যায় বিচারের সঠিক পদক্ষেপের কারণে দীর্ঘদিন পরে আমরা নিরীহ মজলুম মানুষেরা আমাদের থেকে জোরপূর্বক ভাবে কেড়ে নেওয়া জমি ফেরত পেতে সক্ষম হয়েছি তাই আমি বিশেষভাবে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, কামরুল ইসলাম ও সঞ্জীব দত্তের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকব।

বর্তমানে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ যেভাবে সাহসিকতার সাথে লড়াই করে মাদক সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে এ অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ওসি প্রদীপ কুমার দাশ পদোন্নতি কামনা করেন তিনি। এছাড়া আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই সরকার যেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে আজীবন টেকনাফ থানায় বহাল রাখেন।