টেকনাফ সৈকতে মরা গরু ভেসে আসছে আতংকে পর্যটক ও স্থানীয়রা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টেকনাফ সৈকতে মরা গরু ভেসে আসছে আতংকে পর্যটক ও স্থানীয়রা।

টেকনাফ প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদ-উল আযহায় মিয়ানমার থেকে পশু আসার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে নিহত হওয়া অর্ধ শতাধিক গরু নাফ নদীতে গরুর মৃতদেহ পড়ে আছে যেখানে-সেখানে। টেকনাফের সমুদ্র সৈকতে ও মরা গরুর দুর্গন্ধে নাক চেপে হাঁটছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। সৈকতে এ অবস্থা ও দূষিত পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

গতকাল বিকেলে টেকনাফে সমুদ্রসৈকতে গিয়ে দেখা যায়, গরুর মৃতদেহ পড়ে আছে জিও ব্যাগ ও ব্লকের মাঝখানে। এর আধা কিলোমিটার দূরে তুলাতলি ও লম্বরী এলাকায় পড়ে আছে আরও দুটি গরুর মৃতদেহ পড়ে আছে।এখানেই শেষ নয়। সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে নারকেলের ছোবড়া, ডাবের খোসা, বিস্কুট-চানাচুরের প্যাকেট। স্থানীয়রা জানান , কোরবানির ঈদের আগে মিয়ানমার থেকে নৌপথে পশু আনার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকায় মরে যাওয়া পশু সাগরে ফেলে দেন তাঁরা। ওই পশুই সৈকতে ভেসে এসেছে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, এভাবে মৃত প্রাণীর দেহ পড়ে থাকা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ। এসব মৃতদেহ থেকে রোগ-জীবাণু ছড়াতে পারে। পর্যটকদের স্বার্থে এগুলোকে মাটিতে পুঁতে ফেলা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টেকনাফ সৈকতে মরা গরু ভেসে আসছে আতংকে পর্যটক ও স্থানীয়রা।

আপডেট সময় : ০৬:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯

টেকনাফ সৈকতে মরা গরু ভেসে আসছে আতংকে পর্যটক ও স্থানীয়রা।

টেকনাফ প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদ-উল আযহায় মিয়ানমার থেকে পশু আসার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে নিহত হওয়া অর্ধ শতাধিক গরু নাফ নদীতে গরুর মৃতদেহ পড়ে আছে যেখানে-সেখানে। টেকনাফের সমুদ্র সৈকতে ও মরা গরুর দুর্গন্ধে নাক চেপে হাঁটছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। সৈকতে এ অবস্থা ও দূষিত পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

গতকাল বিকেলে টেকনাফে সমুদ্রসৈকতে গিয়ে দেখা যায়, গরুর মৃতদেহ পড়ে আছে জিও ব্যাগ ও ব্লকের মাঝখানে। এর আধা কিলোমিটার দূরে তুলাতলি ও লম্বরী এলাকায় পড়ে আছে আরও দুটি গরুর মৃতদেহ পড়ে আছে।এখানেই শেষ নয়। সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে নারকেলের ছোবড়া, ডাবের খোসা, বিস্কুট-চানাচুরের প্যাকেট। স্থানীয়রা জানান , কোরবানির ঈদের আগে মিয়ানমার থেকে নৌপথে পশু আনার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকায় মরে যাওয়া পশু সাগরে ফেলে দেন তাঁরা। ওই পশুই সৈকতে ভেসে এসেছে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, এভাবে মৃত প্রাণীর দেহ পড়ে থাকা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ। এসব মৃতদেহ থেকে রোগ-জীবাণু ছড়াতে পারে। পর্যটকদের স্বার্থে এগুলোকে মাটিতে পুঁতে ফেলা জরুরি।