ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিরা হাইওয়ে ছিলো সতর্ক অবস্থানে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২০ ২৮১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
লাইফ লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মতো।ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার গাড়ি চলাচল করে।

করোনা ভাইরাসের কারণে যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল একেবারে বন্ধ রয়েছে। কিন্তু কিছু পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করছে । সকালে কুমিরা হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল এর নেতৃত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ ছিল সতর্ক অবস্থানে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ড অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন গাড়ি তল্লাশি করা হয় । এসময় চট্টগ্রামে প্রবেশ করার সময় ৬০ জন যাত্রীকে চট্টগ্রামে প্রবেশ করতে না দিয়ে উল্টো ঢাকার পথে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

কুমিরা হাইওয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইদুল ইসলাম জানান, মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করলেও সচেতনা লক্ষ করা যায়নি। অপ্রয়োজনীয় মানুষ যেন চট্টগ্রামে প্রবেশ করতে না পারে এবং চট্টগ্রাম থেকে অন্য জেলায় যেতে না পারে সেজন্য আমরা সকাল থেকে সতর্ক অবস্থানে ছিলাম। এ সময় বেশ কিছু যাত্রী কে আবার নিজ গন্তব্যে ফেরত পাঠায়। সবচাইতে মজার বিষয় হচ্ছে কিছু ব্যক্তি অভিনব মিথ্যার আশ্রয় নেয়। যেমন এক ব্যক্তির বাবা দু বছর আগে মারা য়ায়। সে বর্তমানে তার বাবা মারা গেছে বলে মেডিকেলে দেখতে যাওয়ার কথা বলে।যতদিন দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় ততদিন আমাদের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিরা হাইওয়ে ছিলো সতর্ক অবস্থানে

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
লাইফ লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মতো।ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার গাড়ি চলাচল করে।

করোনা ভাইরাসের কারণে যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল একেবারে বন্ধ রয়েছে। কিন্তু কিছু পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করছে । সকালে কুমিরা হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল এর নেতৃত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ ছিল সতর্ক অবস্থানে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ড অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন গাড়ি তল্লাশি করা হয় । এসময় চট্টগ্রামে প্রবেশ করার সময় ৬০ জন যাত্রীকে চট্টগ্রামে প্রবেশ করতে না দিয়ে উল্টো ঢাকার পথে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

কুমিরা হাইওয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইদুল ইসলাম জানান, মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করলেও সচেতনা লক্ষ করা যায়নি। অপ্রয়োজনীয় মানুষ যেন চট্টগ্রামে প্রবেশ করতে না পারে এবং চট্টগ্রাম থেকে অন্য জেলায় যেতে না পারে সেজন্য আমরা সকাল থেকে সতর্ক অবস্থানে ছিলাম। এ সময় বেশ কিছু যাত্রী কে আবার নিজ গন্তব্যে ফেরত পাঠায়। সবচাইতে মজার বিষয় হচ্ছে কিছু ব্যক্তি অভিনব মিথ্যার আশ্রয় নেয়। যেমন এক ব্যক্তির বাবা দু বছর আগে মারা য়ায়। সে বর্তমানে তার বাবা মারা গেছে বলে মেডিকেলে দেখতে যাওয়ার কথা বলে।যতদিন দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় ততদিন আমাদের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।