দাম চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কাচা খেজুর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগরঃ
সারা বছর খেজুরের চাহিদা থাকলেও রমজান মাস ছাড়া এ ফল খুব কম মনুষই খেয়ে থাকেন। তবে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে এর বিপরীত। রমজান চলে যাওয়ার ৩ মাস গত হয়ে গেলেও চট্টগ্রামের কয়েকটি বাজারে খেজুরের বেশ চাহিদা রয়েছে। তবে বাজারে নতুন করে যুক্ত হয়েছে সৌদি আরব থেকে আনা কাঁচা খেজুর। হলুদ রঙের এ খেজুর উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের পছন্দের তালিকায় থাকলেও দামের কারণে অনেকেই খেতে পারছেন না। নগরীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

চকবাজার, বহদ্দারহাট ও রিয়াজউদ্দিন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, এসব বাজারে খেজুরের চাহিদা বেশি। বাজারগুলোতে মরগম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, নাগাল খেজুর ৩৫০থেকে ৫০০ টাকা, ছড়া খেজুর ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, লুলু খেজুর ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কালমি খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, আমবর খেজুর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, খাজুরি একলাস ৫০০ টাকা, খোরমা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, বড়ই খেজুর ২০০ টাকা, সাদা খোরমা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, জায়দি খেজুর ১০০ টাকা, আলু বোখারা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা এবং কাঁচা খেজুর ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। তবে কাঁচা খেজুরের প্রতি মানুষ ঝুঁকছেন বেশি।

ক্রেতা মঞ্জু বলেন, ‘খেজুর পছন্দ না এমন মানুষতো খুব কমই আছে। কিন্তু মানুষের পছন্দ হলেও কিন্তু বেশি দামের কারণে খেজুর সবাই চাইলেও খেতে পারে না। আমার ১৪ বছরের ছেলের রক্তস্বল্পতা আছে। তাই চিকিৎসক তাকে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। আমি প্রায় সময় খেজুর কিনতে বাজারে আসি।’

ক্রেতা জিল্লুর রহমান বলেন, ‘খেজুর আমাদের জন্য খুবই দরকারি। খেজুর নানা ধরণের রোগ প্রতিরোধ করে। আমি একটু স্বাস্থ্য সচেতন। চেষ্টা করি রোজ খেজুর খেতে এবং পরিবারের সবাইকে খাওয়াতে। তবে রমজান ছাড়াও এখন কিন্তু খেজুরের অনেক দাম। যার কারণে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া সবার জন্য সম্ভব নয়। কাঁচা খেজুর অনেক পছন্দের হলেও এগুলো বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। এতো দাম দিয়ে মানুষ কেমনে খেজুর খাবে।

খেজুর বিক্রেতা আব্দুর রহিম জানান, খেজুরের চাহিদা রমজানে বেশি হলেও অন্যান্য সময়ও থাকে। খেজুর খাওয়া সুন্নত। এ খেজুর অনেক রোগের ওষুধ। যার জন্যে অনেকেই খেজুর খেয়ে থাকেন।
আরেক বিক্রেতা হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘রমজানের মতো খেজুরের চাহিদা এখন নেই। তবে বর্তমানে কাঁচা খেজুরের বেশ চাহিদা রয়েছে। রমজানের সময় দাম বাড়তি ছিল। এখন দাম অনেক কম আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দাম চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কাচা খেজুর

আপডেট সময় : ০৯:২৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আব্দুল করিম, চট্টগ্রাম মহানগরঃ
সারা বছর খেজুরের চাহিদা থাকলেও রমজান মাস ছাড়া এ ফল খুব কম মনুষই খেয়ে থাকেন। তবে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে এর বিপরীত। রমজান চলে যাওয়ার ৩ মাস গত হয়ে গেলেও চট্টগ্রামের কয়েকটি বাজারে খেজুরের বেশ চাহিদা রয়েছে। তবে বাজারে নতুন করে যুক্ত হয়েছে সৌদি আরব থেকে আনা কাঁচা খেজুর। হলুদ রঙের এ খেজুর উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের পছন্দের তালিকায় থাকলেও দামের কারণে অনেকেই খেতে পারছেন না। নগরীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

চকবাজার, বহদ্দারহাট ও রিয়াজউদ্দিন বাজারে গিয়ে দেখা যায়, এসব বাজারে খেজুরের চাহিদা বেশি। বাজারগুলোতে মরগম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, নাগাল খেজুর ৩৫০থেকে ৫০০ টাকা, ছড়া খেজুর ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, লুলু খেজুর ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কালমি খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, আমবর খেজুর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, খাজুরি একলাস ৫০০ টাকা, খোরমা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, বড়ই খেজুর ২০০ টাকা, সাদা খোরমা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, জায়দি খেজুর ১০০ টাকা, আলু বোখারা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা এবং কাঁচা খেজুর ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। তবে কাঁচা খেজুরের প্রতি মানুষ ঝুঁকছেন বেশি।

ক্রেতা মঞ্জু বলেন, ‘খেজুর পছন্দ না এমন মানুষতো খুব কমই আছে। কিন্তু মানুষের পছন্দ হলেও কিন্তু বেশি দামের কারণে খেজুর সবাই চাইলেও খেতে পারে না। আমার ১৪ বছরের ছেলের রক্তস্বল্পতা আছে। তাই চিকিৎসক তাকে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। আমি প্রায় সময় খেজুর কিনতে বাজারে আসি।’

ক্রেতা জিল্লুর রহমান বলেন, ‘খেজুর আমাদের জন্য খুবই দরকারি। খেজুর নানা ধরণের রোগ প্রতিরোধ করে। আমি একটু স্বাস্থ্য সচেতন। চেষ্টা করি রোজ খেজুর খেতে এবং পরিবারের সবাইকে খাওয়াতে। তবে রমজান ছাড়াও এখন কিন্তু খেজুরের অনেক দাম। যার কারণে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া সবার জন্য সম্ভব নয়। কাঁচা খেজুর অনেক পছন্দের হলেও এগুলো বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। এতো দাম দিয়ে মানুষ কেমনে খেজুর খাবে।

খেজুর বিক্রেতা আব্দুর রহিম জানান, খেজুরের চাহিদা রমজানে বেশি হলেও অন্যান্য সময়ও থাকে। খেজুর খাওয়া সুন্নত। এ খেজুর অনেক রোগের ওষুধ। যার জন্যে অনেকেই খেজুর খেয়ে থাকেন।
আরেক বিক্রেতা হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘রমজানের মতো খেজুরের চাহিদা এখন নেই। তবে বর্তমানে কাঁচা খেজুরের বেশ চাহিদা রয়েছে। রমজানের সময় দাম বাড়তি ছিল। এখন দাম অনেক কম আছে।