দেশে সংরক্ষিত প্রত্নস্থান ৫০১টি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে সংরক্ষিত প্রত্নস্থান ৫০১টি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

দেশে সংরক্ষিত প্রত্নস্থলের সংখ্যা ৫০১টি বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এর মধ্যে টিকিট কেটে ৪১-৪২টি ঘুরে দেখা যায় বলে জানান তিনি।

রবিবার (১৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের ‘বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ পদ্ধতির বাস্তবতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
কে এম খালিদ বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন একটি অধিদফতর। এটি একটি রাষ্ট্রের ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় ধারক ও বাহক। আমাদের হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে দেশে-বিদেশে তুলে ধরতে হলে এ অধিদফতরের কর্মকাণ্ডে আরও গতি সঞ্চার করতে হবে বলে মত দেন তিনি।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করুন যাতে মন্ত্রণালয় আলোর দ্যুতি ছড়াতে পারে। এক্ষেত্রে তিনি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রত্নতত্ত্ব সেক্টরে দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি কে এম খালিদ এ সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হান্নান মিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. অসিত বরণ পাল। সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল আহমেদ ও ড. মোকাম্মেল হোসেন ভুঁইয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রত্নসম্পদ ও সংরক্ষণ) মো. আমিরুজ্জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দেশে সংরক্ষিত প্রত্নস্থান ৫০১টি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:১৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯

দেশে সংরক্ষিত প্রত্নস্থান ৫০১টি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

দেশে সংরক্ষিত প্রত্নস্থলের সংখ্যা ৫০১টি বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এর মধ্যে টিকিট কেটে ৪১-৪২টি ঘুরে দেখা যায় বলে জানান তিনি।

রবিবার (১৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের ‘বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ পদ্ধতির বাস্তবতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
কে এম খালিদ বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন একটি অধিদফতর। এটি একটি রাষ্ট্রের ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় ধারক ও বাহক। আমাদের হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে দেশে-বিদেশে তুলে ধরতে হলে এ অধিদফতরের কর্মকাণ্ডে আরও গতি সঞ্চার করতে হবে বলে মত দেন তিনি।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করুন যাতে মন্ত্রণালয় আলোর দ্যুতি ছড়াতে পারে। এক্ষেত্রে তিনি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রত্নতত্ত্ব সেক্টরে দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি কে এম খালিদ এ সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হান্নান মিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. অসিত বরণ পাল। সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল আহমেদ ও ড. মোকাম্মেল হোসেন ভুঁইয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রত্নসম্পদ ও সংরক্ষণ) মো. আমিরুজ্জামান।