নদীর পারের দখলদারদের তালিকা তৈরি শুরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউজ ডেক্স:
নাটোরের গুরুদাসপুরের নন্দকুঁজা নদীর পারের দখলদারদের তালিকা তৈরি করছে গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসন।সোমবার সকালে উপজেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি ইউএনও মো. তমাল হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।

উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া এই নন্দকুঁজা নদী এখন মৃত প্রায়। দখল, দূষণ ও পলি জমে নদীর আয়তন কমেছে ও নাব্যতা হারাতে বসেছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় বাংলাদেশ ব্যাপী নদী পারের দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এরই মধ্যে নন্দকুঁজা নদীর পার বলতে আর কিছুই নেই। অবৈধ দখলদারদের দখলে পার বিলীন হয়ে গেছে।

নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি ইউএনও মো. তমাল হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় নদীর জীবন ফিরিয়ে আনতে আমাদের এই অভিযান। এ পর্যন্ত মোট ৭৪ জন দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নদীর পার দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে নদীর উভয়পার থেকে শুরু করে সব দখলদারকে উচ্ছেদ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নদীর পারের দখলদারদের তালিকা তৈরি শুরু

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিউজ ডেক্স:
নাটোরের গুরুদাসপুরের নন্দকুঁজা নদীর পারের দখলদারদের তালিকা তৈরি করছে গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসন।সোমবার সকালে উপজেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি ইউএনও মো. তমাল হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।

উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া এই নন্দকুঁজা নদী এখন মৃত প্রায়। দখল, দূষণ ও পলি জমে নদীর আয়তন কমেছে ও নাব্যতা হারাতে বসেছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় বাংলাদেশ ব্যাপী নদী পারের দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এরই মধ্যে নন্দকুঁজা নদীর পার বলতে আর কিছুই নেই। অবৈধ দখলদারদের দখলে পার বিলীন হয়ে গেছে।

নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি ইউএনও মো. তমাল হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় নদীর জীবন ফিরিয়ে আনতে আমাদের এই অভিযান। এ পর্যন্ত মোট ৭৪ জন দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নদীর পার দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে নদীর উভয়পার থেকে শুরু করে সব দখলদারকে উচ্ছেদ করা হবে।