নেটওয়ার্ক নেই টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০ ৯৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টেকনাফ প্রতিনিধি:
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী ক্যাম্প কক্সবাজারে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গাদের কারণে উখিয়া টেকনাফে কিছু জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক থ্রি জি ও ফোরজি সেবা বন্ধ থাকার কারণে এলাকার মানুষ করোনা ভাইরাসের খবরাখবর নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

ইতোমধ্যে শরণার্থী শিবিরে স্বাস্থ্য সেবা এবং জরুরী ত্রাণ কার্যক্রম ছাড়া বাকি সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই অবস্থায় যদি নেটওয়ার্ক না থাকে তাহলে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো হয়েছে শরণার্থী শিবিরে। তবে সব ধরণের গণ জমায়েত এড়িয়ে এই সচেতনতার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মতো এতো ঘনবসতিপূর্ণ স্থান যে কোন সংক্রমণের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সাবধানে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতন থাকতে বলা হয়েছে ।

রোহিঙ্গারা যাতে কোন ভাবেই ক্যাম্প থেকে বাইরে যেতে না পারে, সেজন্য চেকপোস্টগুলোতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে কক্সবাজারে এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার সুযোগ তৈরি না হওয়াকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নেটওয়ার্ক নেই টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায়

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২০

টেকনাফ প্রতিনিধি:
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী ক্যাম্প কক্সবাজারে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গাদের কারণে উখিয়া টেকনাফে কিছু জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক থ্রি জি ও ফোরজি সেবা বন্ধ থাকার কারণে এলাকার মানুষ করোনা ভাইরাসের খবরাখবর নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

ইতোমধ্যে শরণার্থী শিবিরে স্বাস্থ্য সেবা এবং জরুরী ত্রাণ কার্যক্রম ছাড়া বাকি সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই অবস্থায় যদি নেটওয়ার্ক না থাকে তাহলে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো হয়েছে শরণার্থী শিবিরে। তবে সব ধরণের গণ জমায়েত এড়িয়ে এই সচেতনতার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মতো এতো ঘনবসতিপূর্ণ স্থান যে কোন সংক্রমণের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সাবধানে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সচেতন থাকতে বলা হয়েছে ।

রোহিঙ্গারা যাতে কোন ভাবেই ক্যাম্প থেকে বাইরে যেতে না পারে, সেজন্য চেকপোস্টগুলোতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে কক্সবাজারে এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার সুযোগ তৈরি না হওয়াকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।