নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারকীয় কায়দায় নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে ছাত্র জনতার বিক্ষোভ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২০ ২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্ক,
আজ বিকেল ০৪ঃ০০ টায় জামালখান প্রেসক্লাবে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারকীয় কায়দায় নারী নির্যাতন,গুম,খুন এবং ধর্ষনের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম ছাত্র জনতার বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সামবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়,এতে জামালখান হয়ে চেরাগি পাহাড় মোড় হয়ে আবার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।

চট্টগ্রামের যুগ্ম আহবায়ক এরশাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উক্তো বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আলম ও চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য আবু রায়হান ও বায়েজিদ আরেফিন।

বক্তারা বলেন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ছাত্রলীগের এই বর্বর নারকীয় কায়দায় নারী নির্যাতন যেন আয়্যামে জাহিলিয়াতকে ও হার মানিয়েছে। নির্যাতনের বিচার চেয়ে আমরা আবার রাজপথে আসবো এইটা এই রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক। অবিলম্বে সকল ধর্ষকদের দ্রুত আইনে বিচারের দাবি করা হয়।নোয়াখালীর সুবর্ণ চরে ধর্ষণের বিচার আজও আমরা পাই নাই,কখন পাবো সেইটাও জানা নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কোন দেশে ধর্ষণ হয় খোঁজে পাই না কিন্তু নিজ দেশে ধর্ষণের বিচার হয় না এইটার খোঁজ কেন রাখে না?

চট্টগ্রাম ছাত্র অধিকার পরিষদের সকল নেতা কর্মীদেরকে দেশের এই পরিস্থিতিতে সলক অন্যায়, অনিয়ম,ধর্ষকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।

সমাবেশ থেকে ছাত্র অধিকার পরিষদ চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়,উক্ত দাবিগুলো হলঃ
১. ধর্ষণ আইন পুনঃবিবেচনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা।
২. ধর্ষণজনিত ঘটনা বা অপরাধের জন্য আলাদা দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল গঠন এবং ৩০-৬০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া তৈরী করা।
৩. ধর্ষিতার বিনামুল্যে চিকিৎসা এবং পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।
৪. জেলায় জেলায় ধর্ষণ প্রতিরােধে পুলিশের আলাদা টাস্কফোর্স গঠন করা।
৫. নির্জন রাস্তায় সচল সিসিটিভি স্থাপন করা।
৬.পূর্ববর্তী সকল ধর্ষণ মামলার রায় ৬ মাসের মাঝে সম্পন্ন করা।
৭. দলীয় মদদে কোন ধর্ষণকে বা কোন অপরাধকে আশ্রয় দেওয়া হলে তাৎক্ষনিক আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারকীয় কায়দায় নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে ছাত্র জনতার বিক্ষোভ!

আপডেট সময় : ১০:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২০

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্ক,
আজ বিকেল ০৪ঃ০০ টায় জামালখান প্রেসক্লাবে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারকীয় কায়দায় নারী নির্যাতন,গুম,খুন এবং ধর্ষনের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম ছাত্র জনতার বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সামবেশ অনুষ্ঠিত হয়।বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়,এতে জামালখান হয়ে চেরাগি পাহাড় মোড় হয়ে আবার প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।

চট্টগ্রামের যুগ্ম আহবায়ক এরশাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উক্তো বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আলম ও চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য আবু রায়হান ও বায়েজিদ আরেফিন।

বক্তারা বলেন, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ছাত্রলীগের এই বর্বর নারকীয় কায়দায় নারী নির্যাতন যেন আয়্যামে জাহিলিয়াতকে ও হার মানিয়েছে। নির্যাতনের বিচার চেয়ে আমরা আবার রাজপথে আসবো এইটা এই রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক। অবিলম্বে সকল ধর্ষকদের দ্রুত আইনে বিচারের দাবি করা হয়।নোয়াখালীর সুবর্ণ চরে ধর্ষণের বিচার আজও আমরা পাই নাই,কখন পাবো সেইটাও জানা নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কোন দেশে ধর্ষণ হয় খোঁজে পাই না কিন্তু নিজ দেশে ধর্ষণের বিচার হয় না এইটার খোঁজ কেন রাখে না?

চট্টগ্রাম ছাত্র অধিকার পরিষদের সকল নেতা কর্মীদেরকে দেশের এই পরিস্থিতিতে সলক অন্যায়, অনিয়ম,ধর্ষকদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।

সমাবেশ থেকে ছাত্র অধিকার পরিষদ চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়,উক্ত দাবিগুলো হলঃ
১. ধর্ষণ আইন পুনঃবিবেচনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা।
২. ধর্ষণজনিত ঘটনা বা অপরাধের জন্য আলাদা দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল গঠন এবং ৩০-৬০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া তৈরী করা।
৩. ধর্ষিতার বিনামুল্যে চিকিৎসা এবং পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।
৪. জেলায় জেলায় ধর্ষণ প্রতিরােধে পুলিশের আলাদা টাস্কফোর্স গঠন করা।
৫. নির্জন রাস্তায় সচল সিসিটিভি স্থাপন করা।
৬.পূর্ববর্তী সকল ধর্ষণ মামলার রায় ৬ মাসের মাঝে সম্পন্ন করা।
৭. দলীয় মদদে কোন ধর্ষণকে বা কোন অপরাধকে আশ্রয় দেওয়া হলে তাৎক্ষনিক আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা।