পটিয়ায় মধ্যরাতে ধরে নিয়ে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“পটিয়ায় মধ্যরাতে ধরে নিয়ে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষন”

পটিয়ায় জিরি ইউনিয়নে মধ্যরাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাত ১২টার দিকে উপজেলার জিরি ইউনিয়নে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে একই এলাকার মো. তৈয়বের ছেলে আরমান ও ইমরানের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় (মামলা নং ১৬/১৯) দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রাত ২টায় মেয়েটির মা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে বাথরুমে যাওয়ার সময় গিয়ে দেখে তাদের বড় মেয়ে তার নিজ রুমে নেই। বিষয়টি তিনি তার স্বামীকে জানালে তারা এলাকার লোকজনকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করতে থাকে। এর একপর্যায়ে এলাকার লোকজন দেখতে পায় তাদের মেয়ে নুরুল আমিন নামে এক ব্যক্তির বসতঘরের ফাঁকা জায়গায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এমন অবস্থায় তারা আশপাশের লোকজনের সহায়তায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান।

এ ব্যাপারে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন জানান, ধর্ষণের দায়ে দুজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পটিয়ায় মধ্যরাতে ধরে নিয়ে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষন

আপডেট সময় : ১০:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯

“পটিয়ায় মধ্যরাতে ধরে নিয়ে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষন”

পটিয়ায় জিরি ইউনিয়নে মধ্যরাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।

জানা যায়, শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাত ১২টার দিকে উপজেলার জিরি ইউনিয়নে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে একই এলাকার মো. তৈয়বের ছেলে আরমান ও ইমরানের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় (মামলা নং ১৬/১৯) দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রাত ২টায় মেয়েটির মা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়ে বাথরুমে যাওয়ার সময় গিয়ে দেখে তাদের বড় মেয়ে তার নিজ রুমে নেই। বিষয়টি তিনি তার স্বামীকে জানালে তারা এলাকার লোকজনকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করতে থাকে। এর একপর্যায়ে এলাকার লোকজন দেখতে পায় তাদের মেয়ে নুরুল আমিন নামে এক ব্যক্তির বসতঘরের ফাঁকা জায়গায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এমন অবস্থায় তারা আশপাশের লোকজনের সহায়তায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে প্রথমে পটিয়া হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান।

এ ব্যাপারে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন জানান, ধর্ষণের দায়ে দুজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ আসামি গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।