পটিয়ায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আকবর হত্যা মামলার প্রধান আসামী শাহীন উল্লাহ গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৬১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটিয়া প্রতিনিধি:
পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জামাল উদ্দিন অাকবর হত্যা মামলার প্রধান আসামী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শাহীন উল্লাহকে(৩০) নগরীর ওঅার নিজাম রোডের মেডিকেল সেন্টারের সামনে হতে মঙ্গলবার (১৭ অাগষ্ট) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান । সে পটিয়া উপজেলার কোলাঁগাও ইউনিয়নের ২ নং ওয়াডের নুরুল ইসলাম প্রকাশ নুন্ন্যার ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩ রা ডিসেম্বর কোলাঁগাও ইউনিয়নে বেসরকারি বিদুৎ কেন্দ্রেকে নিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের হাতে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জামাল উদ্দিন অাকবরকে। এ মামলার প্রধান অাসামী শাহীন উল্লাহ। শাহীন অাকবরকে প্রথমে চুরিদিয়ে অাঘাত করে পরে তার লোকজন নিয়ে কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন নিহতদের বড় ভাই কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে পটিয়া থানায় শাহীন উল্লাহকে প্রধান অাসামী করে পটিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

স্হানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কোলাগাঁও ইউনিয়নে কিছু যুবক শিল্প কারখানাকে ঘিরে চাঁদাবাজি, জায়গা দখল, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন। কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প কারখানাকে ঘিরে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি এখন প্রকাশ্যে। একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ কোলাগাঁও এলাকার শিল্প কারখানায় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে সরাসরি জড়িত। মারামারি ও একের পর এক খুনের ঘটনায় এলাকার লোকজনের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। তাছাড়া কোলাগাঁও ইউনিয়নে চাঁদাবাজি, জায়গা দখল-বেদখল, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মের কারণে এলাকার লোকজন আতংকিত।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্হানীয়রা জানিয়েছেন, কোলাগাঁও ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি ইয়াবার রমরমা ব্যবসা চলছে। মাদক সেবনকারীরা প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে লাইট ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে দান বাক্স ভেঙে টাকা লুটের ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পটিয়ায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আকবর হত্যা মামলার প্রধান আসামী শাহীন উল্লাহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১২:১৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পটিয়া প্রতিনিধি:
পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জামাল উদ্দিন অাকবর হত্যা মামলার প্রধান আসামী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শাহীন উল্লাহকে(৩০) নগরীর ওঅার নিজাম রোডের মেডিকেল সেন্টারের সামনে হতে মঙ্গলবার (১৭ অাগষ্ট) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান । সে পটিয়া উপজেলার কোলাঁগাও ইউনিয়নের ২ নং ওয়াডের নুরুল ইসলাম প্রকাশ নুন্ন্যার ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩ রা ডিসেম্বর কোলাঁগাও ইউনিয়নে বেসরকারি বিদুৎ কেন্দ্রেকে নিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের হাতে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জামাল উদ্দিন অাকবরকে। এ মামলার প্রধান অাসামী শাহীন উল্লাহ। শাহীন অাকবরকে প্রথমে চুরিদিয়ে অাঘাত করে পরে তার লোকজন নিয়ে কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন নিহতদের বড় ভাই কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে পটিয়া থানায় শাহীন উল্লাহকে প্রধান অাসামী করে পটিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

স্হানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কোলাগাঁও ইউনিয়নে কিছু যুবক শিল্প কারখানাকে ঘিরে চাঁদাবাজি, জায়গা দখল, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন। কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও শিল্প কারখানাকে ঘিরে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি এখন প্রকাশ্যে। একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ কোলাগাঁও এলাকার শিল্প কারখানায় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে সরাসরি জড়িত। মারামারি ও একের পর এক খুনের ঘটনায় এলাকার লোকজনের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠেছে। তাছাড়া কোলাগাঁও ইউনিয়নে চাঁদাবাজি, জায়গা দখল-বেদখল, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মের কারণে এলাকার লোকজন আতংকিত।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্হানীয়রা জানিয়েছেন, কোলাগাঁও ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি ইয়াবার রমরমা ব্যবসা চলছে। মাদক সেবনকারীরা প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে লাইট ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে দান বাক্স ভেঙে টাকা লুটের ঘটনা ঘটছে। এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।