পটিয়ায় হয়রানি হতে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই ২০১৯ ১২৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পটিয়ায় হয়রানি হতে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধিঃ কাউছার আলম, পটিয়া। 

এহসান সোসইটির প্রতারণার শিকার হয়ে দেশের বৃহৎ কওমি মাদরাসা পটিয়া আল জামেয়া আল ইসলামিয়া মাদরাসার সহকারি মহাপরিচালক ও ভাইসপ্রিন্সিপাল আবু তাহের নদভী হয়রানির শিকার বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৭ জুলাই (রবিবার) দুপুরে পটিয়ার একটি রেস্তোঁরায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। বিভিন্ন মামলায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে তিনি রীতিমত হাঁপিয়ে উঠছেন। যার কারণে আর্থিক ও শারীরিকভাবে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

কোন আর্থিক লেনদেন না করেও তাকে ভুক্তভোগীরা ১০টি মামলায় জড়িয়েছেন। অভিযোগে তিনি বলেন, ২০০৫ সালে ‘সুদমুক্ত ঋণের সমাজ গঠন’ করার সুন্দর স্লোগানে মুখরিত হয়ে দেশের হাজার হাজার ওলামাদের মতো তিনিও ‘এহসান সোসাইটি বাংলাদেশ’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থায় যোগদেন। পরে সংস্থাটি এহসান রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড নামে আরো একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। ২০০৮ সালের দিকে এসে এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়। দুটি সংস্থায় সভাপতি পদে থাকলেও ওই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আর্থিক কোন লেনদেনের সাথে তার সম্পর্ক ছিল না। তাকে শুধু মুরব্বী হিসেবে রাখা হয়েছিল।

এদিকে কওমি মাদরাসার এ পরিচালকের বিরুদ্ধে পাবনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০টি মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের এমডি জাহাঙ্গীর আলম বিভিন্ন অনিয়ম-দুনীতি শুরু করলে ২০১৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ করেন। কিন্তু তার পদত্যাগের বিষয়টি প্রতিষ্ঠান গোপন রাখায় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে তাকে মামলায় জড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। অথচ আইনগতভাবে ২০১৬ সালের পর তিনি প্রতিষ্ঠান দুটির কেউ নয়। মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পটিয়ায় হয়রানি হতে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই ২০১৯

পটিয়ায় হয়রানি হতে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধিঃ কাউছার আলম, পটিয়া। 

এহসান সোসইটির প্রতারণার শিকার হয়ে দেশের বৃহৎ কওমি মাদরাসা পটিয়া আল জামেয়া আল ইসলামিয়া মাদরাসার সহকারি মহাপরিচালক ও ভাইসপ্রিন্সিপাল আবু তাহের নদভী হয়রানির শিকার বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৭ জুলাই (রবিবার) দুপুরে পটিয়ার একটি রেস্তোঁরায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। বিভিন্ন মামলায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে তিনি রীতিমত হাঁপিয়ে উঠছেন। যার কারণে আর্থিক ও শারীরিকভাবে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

কোন আর্থিক লেনদেন না করেও তাকে ভুক্তভোগীরা ১০টি মামলায় জড়িয়েছেন। অভিযোগে তিনি বলেন, ২০০৫ সালে ‘সুদমুক্ত ঋণের সমাজ গঠন’ করার সুন্দর স্লোগানে মুখরিত হয়ে দেশের হাজার হাজার ওলামাদের মতো তিনিও ‘এহসান সোসাইটি বাংলাদেশ’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থায় যোগদেন। পরে সংস্থাটি এহসান রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড নামে আরো একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। ২০০৮ সালের দিকে এসে এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়। দুটি সংস্থায় সভাপতি পদে থাকলেও ওই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আর্থিক কোন লেনদেনের সাথে তার সম্পর্ক ছিল না। তাকে শুধু মুরব্বী হিসেবে রাখা হয়েছিল।

এদিকে কওমি মাদরাসার এ পরিচালকের বিরুদ্ধে পাবনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০টি মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের এমডি জাহাঙ্গীর আলম বিভিন্ন অনিয়ম-দুনীতি শুরু করলে ২০১৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ করেন। কিন্তু তার পদত্যাগের বিষয়টি প্রতিষ্ঠান গোপন রাখায় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে তাকে মামলায় জড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। অথচ আইনগতভাবে ২০১৬ সালের পর তিনি প্রতিষ্ঠান দুটির কেউ নয়। মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।