প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তায় হঠাৎ ঘুম ভাঙলো চসিক মেয়র নাছিরের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০ ৪৭৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
মশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা দেওয়ার পরপরই ঘুম ভাঙলো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরের পর মেয়র নাছির মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে চসিকের মশা নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এসময় তিনি পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে মশক নিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দেন।এর আগে সকাল ১০টা থেকে টানা দুপুর ১টা পর্যন্ত করোনাভাইরাস উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ৬৪ জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন।

এ সময় তিনি মশা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, `কালকে রাতে ঘুমানোর সময় দেখলাম মশারা সঙ্গীত চর্চা করছে, মশার গান শুনলাম। গুনগুন করে কানের কাছে বেশ গান গাচ্ছিল। আমি মশার গান শুনতে চাইনা। সামনে ডেঙ্গুর সিজন। করোনার সাথে ডেঙ্গু যুক্ত হলে মারাত্মক অবস্থা সৃষ্টি হবে।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এ ক্ষোভ প্রকাশের পর যেন ঘুম ভাঙে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের। তিনি মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরের পর মশক নিধন কার্যক্রমে হাত দেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় মেয়র বলেন, ‘মশক নিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিতকরণের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রতি ওয়ার্ডে জীবাণুনাশক পানি ছিটানোর পাশাপাশি মশা নিধনে ল্যাবরিসাইড ওষুধ ছিটানো শুরু হবে। এজন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীকাল থেকে প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটানো হবে। এ কাজে নিয়োজিত কর্মীরা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জীবাণুনাশক পানিও ছিটাবে।তিনি আরও বলেন, ‘কাউন্সিলরদেরকে পরিচ্ছন্নতা বিভাগের দায়িত্বরত কর্মচারীদের সাথে সমন্বয় করে এ কাজ করতে হবে। ওয়ার্ড এলাকার ঝোপঝাড়সহ মশার প্রজনন স্থানগুলো ধ্বংস করতে হবে।

এসময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তায় হঠাৎ ঘুম ভাঙলো চসিক মেয়র নাছিরের

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০

আব্দুল করিম, চট্টগ্রামঃ
মশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা দেওয়ার পরপরই ঘুম ভাঙলো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরের পর মেয়র নাছির মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে চসিকের মশা নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এসময় তিনি পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে মশক নিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দেন।এর আগে সকাল ১০টা থেকে টানা দুপুর ১টা পর্যন্ত করোনাভাইরাস উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ৬৪ জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন।

এ সময় তিনি মশা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, `কালকে রাতে ঘুমানোর সময় দেখলাম মশারা সঙ্গীত চর্চা করছে, মশার গান শুনলাম। গুনগুন করে কানের কাছে বেশ গান গাচ্ছিল। আমি মশার গান শুনতে চাইনা। সামনে ডেঙ্গুর সিজন। করোনার সাথে ডেঙ্গু যুক্ত হলে মারাত্মক অবস্থা সৃষ্টি হবে।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এ ক্ষোভ প্রকাশের পর যেন ঘুম ভাঙে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের। তিনি মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরের পর মশক নিধন কার্যক্রমে হাত দেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় মেয়র বলেন, ‘মশক নিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিতকরণের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রতি ওয়ার্ডে জীবাণুনাশক পানি ছিটানোর পাশাপাশি মশা নিধনে ল্যাবরিসাইড ওষুধ ছিটানো শুরু হবে। এজন্য ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীকাল থেকে প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটানো হবে। এ কাজে নিয়োজিত কর্মীরা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জীবাণুনাশক পানিও ছিটাবে।তিনি আরও বলেন, ‘কাউন্সিলরদেরকে পরিচ্ছন্নতা বিভাগের দায়িত্বরত কর্মচারীদের সাথে সমন্বয় করে এ কাজ করতে হবে। ওয়ার্ড এলাকার ঝোপঝাড়সহ মশার প্রজনন স্থানগুলো ধ্বংস করতে হবে।

এসময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।