প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজাদীই আইআইইউসির ভারপ্রাপ্ত বৈধ ভিসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১ ৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব সংবাদদাতা,
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদীই বিশ্ববিদ্যালয়টির বৈধ ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত)। আইনানুযায়ী কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে চ্যান্সেলরের সম্মতি বা অনুমোদন সাপেক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং ট্রেজারার নিযুক্ত হন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা-৩১-এর উপধারা-৬-এ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছেÑ ‘এই ধারার অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো ভাইস চ্যান্সেলর কোনো কারণে তার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর সাময়িকভাবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত আইআইইউসি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর। সম্প্রতি চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত আইআইইউসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর গোলাম মহিউদ্দিন দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধি-বিধান অনুসরণ করে গত ২৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের নিয়ে গঠিত বোর্ড অব ট্রাস্টিজের জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদীকে আইআইইউসির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর মনোনীত করা হয়।
চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত আইআইইউসির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বিধি অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্বে আছেন।

এমতাবস্থায়, প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফকে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দেয়া শুধু বেআইনীই নয়, এটি বড় ধরনের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটা বৃহত্তর জ্ঞান-সাংস্কৃতিক পরিসরে প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের মতো একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষাবিদের এ ধরনের রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নে সম্পৃক্ত হওয়া দুঃখজনক।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর একজন শিক্ষার্থীর সনদে চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত ভাইস চ্যান্সেলরের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। এখন প্রশ্ন হলো, প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ তো চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত ভাইস চ্যান্সেলর নন। তিনি কোনোক্রমেই শিক্ষার্থীদের সনদে স্বাক্ষর করতে পারবেন না।

এর ফলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। এ রকম পরিস্থিতিতে আইআইইউসির শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন রক্ষার স্বার্থে এ ধরনের হঠকারী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। কারণ আইনানুযায়ী প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ আইআইইউসির ভিসি নন, বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদীই বিশ্ববিদ্যালয়টির বৈধ ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত)।-বিজ্ঞপ্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজাদীই আইআইইউসির ভারপ্রাপ্ত বৈধ ভিসি

আপডেট সময় : ০৭:১০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

নিজস্ব সংবাদদাতা,
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদীই বিশ্ববিদ্যালয়টির বৈধ ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত)। আইনানুযায়ী কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রস্তাবনার পরিপ্রেক্ষিতে চ্যান্সেলরের সম্মতি বা অনুমোদন সাপেক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং ট্রেজারার নিযুক্ত হন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা-৩১-এর উপধারা-৬-এ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছেÑ ‘এই ধারার অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো ভাইস চ্যান্সেলর কোনো কারণে তার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর সাময়িকভাবে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত আইআইইউসি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর। সম্প্রতি চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত আইআইইউসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর গোলাম মহিউদ্দিন দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধি-বিধান অনুসরণ করে গত ২৮ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের নিয়ে গঠিত বোর্ড অব ট্রাস্টিজের জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদীকে আইআইইউসির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর মনোনীত করা হয়।
চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত আইআইইউসির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বিধি অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্বে আছেন।

এমতাবস্থায়, প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফকে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দেয়া শুধু বেআইনীই নয়, এটি বড় ধরনের দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটা বৃহত্তর জ্ঞান-সাংস্কৃতিক পরিসরে প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের মতো একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষাবিদের এ ধরনের রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নে সম্পৃক্ত হওয়া দুঃখজনক।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর একজন শিক্ষার্থীর সনদে চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত ভাইস চ্যান্সেলরের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। এখন প্রশ্ন হলো, প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ তো চ্যান্সেলর কর্তৃক নিযুক্ত ভাইস চ্যান্সেলর নন। তিনি কোনোক্রমেই শিক্ষার্থীদের সনদে স্বাক্ষর করতে পারবেন না।

এর ফলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। এ রকম পরিস্থিতিতে আইআইইউসির শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন রক্ষার স্বার্থে এ ধরনের হঠকারী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানানো হচ্ছে। কারণ আইনানুযায়ী প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ আইআইইউসির ভিসি নন, বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদীই বিশ্ববিদ্যালয়টির বৈধ ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত)।-বিজ্ঞপ্তি।