প্লাজমা নিয়েও বাঁচা হলোনা চমেক অধ্যাপক ডাক্তার সমিরুলের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০ ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহাম্মদ জিপন উদ্দিন, চট্টগ্রাম:
করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম প্লাজমা থেরাপি নেওয়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ সমিরুল ইসলাম মারা গেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির মহাব্যবস্থাপক ডা. মোহাম্মদ সেলিম।

এর আগে প্লাজমা দেওয়ার পর গত ৩১ মে দ্বিতীয় দফা করোনা টেস্ট করানো হলে ফলাফল নেগেটিভ আসে। সেই সময় ডা. সমিরুলের চিকিৎসাসেবা দেওয়া চমেক হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষ করোনার কারণে তার ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানান।

ডা. মোহাম্মদ সেলিম বলেন, গত ১৩ জুন থেকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাকে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়েছিলো। করোনার কারণে তার ফুসফুসে যে ক্ষতি হয়েছে তা সারানো যায়নি। হঠাৎ ভেন্টিলেশন প্রয়োজন হলে আমরা তাকে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেই। তারপরও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্লাজমা নিয়েও বাঁচা হলোনা চমেক অধ্যাপক ডাক্তার সমিরুলের

আপডেট সময় : ০৭:১০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

মোহাম্মদ জিপন উদ্দিন, চট্টগ্রাম:
করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম প্লাজমা থেরাপি নেওয়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ সমিরুল ইসলাম মারা গেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির মহাব্যবস্থাপক ডা. মোহাম্মদ সেলিম।

এর আগে প্লাজমা দেওয়ার পর গত ৩১ মে দ্বিতীয় দফা করোনা টেস্ট করানো হলে ফলাফল নেগেটিভ আসে। সেই সময় ডা. সমিরুলের চিকিৎসাসেবা দেওয়া চমেক হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ ঘোষ করোনার কারণে তার ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানান।

ডা. মোহাম্মদ সেলিম বলেন, গত ১৩ জুন থেকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাকে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়েছিলো। করোনার কারণে তার ফুসফুসে যে ক্ষতি হয়েছে তা সারানো যায়নি। হঠাৎ ভেন্টিলেশন প্রয়োজন হলে আমরা তাকে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেই। তারপরও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।