Home আমার চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম জেলা বাঁশখালীতে পল্লীবিদ্যুতের দূর্নীতি ও অনিয়মের অন্ত কোথায়?

বাঁশখালীতে পল্লীবিদ্যুতের দূর্নীতি ও অনিয়মের অন্ত কোথায়?

বাঁশখালীতে পল্লীবিদ্যুতের দূর্নীতি ও অনিয়মের অন্ত কোথায়?

মুহাম্মদ দিদার হোসাইন,
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
বাঁশখালীতে লাগামহীন বিদ্যুৎ বিরতি ও অতিরিক্ত বিলে অতিষ্ঠ ভোক্তভোগিরা।

১৬ জুন(বুধবার)পরিদর্শন কালে গণ্ডামারা, বড়ঘোনা, ছনুয়া, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি, শিলকূপ, সরল এলাকার অন্তত কয়েক শতাধিক মানুষ পল্লী বিদ্যুতের অঘোষিত লোডশেডিংবাজি ও অতিরিক্ত বিল আদায় এবং পূর্ববর্তী মাসের গ্রাহককতৃক পরিশোধিত বিল গুলো পরবর্তী মাসে সংযোগ করা সহ পল্লী বিদ্যুতের বিভিন্ন দূর্নীতি ও অনিয়মের কথা তুলে ধরেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

প্রতিটি বিদ্যুৎ বিলে ভূক্তভোগীদের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।অঘোষিত বিদ্যুৎ বিরতি যেন রুটিনে পরিণত করছে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা।বিদ্যুৎ সরবরাহ কম হলেও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হয় দ্বিগুণ।

বিদ্যুৎ মিটারে গ্রাহকদের নাম ঠিকানাও ঠিক নেই অনেক মিটার গ্রাহকদের,এমন অভিযোগ অনেক। তাছাড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিস যেনো দালালদের আশ্রয় কেন্দ্র! দালালদের দৌঁড়াত্ব খুবই দৃশ্যমান। দালাল ছাড়া মিটার পাওয়া খুবই কষ্টকর। অফিসে মিটারের জন্যে আবেদন করলে যথাসময়ে মিটার পেতে ভোগান্তির অন্ত থাকেনা। অফিস কর্মকর্তারা মূখে দালাল বিরুধী কথা বললেও মুলত তাদের সাথে দালালদের ঘণিষ্ঠতার শেষ নেই।

করোনা কালীন সময়ে মিটার না দেখেই বিল প্রস্তুত করে অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।তাছাড়া পরিশোধিত বিলের টাকা পরবর্তী মাসের বিলে সংযোগ করার প্রমাণও কম নয়।মাসিক বিল পরিশোধ করার পরেও পরিবর্তী মাসে বকেয়া বিল হিসেবে বিদ্যুৎ বিলে লিখে দেয়া হয় এক সাথে কয়েক মাসের। ব্যাংক ও বিকাশে বিল পরিশোধ করে গ্রাহকরা, কিন্তু বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধ করলে এই ভোগান্তির শিকার হয় বলে জানায় বাঁশখালীর অনেক মিটার মালিক।

এই ব্যাপারে বাঁশখালী পল্লী বিদ্যুৎ অফিস (ডিজিএম) নুুর মুহাম্মদ আজম মজুমদার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দৈনিক সকালের সময় প্রতিনিধিকে বলেন,লাইন সংযোগ ও বিভিন্ন দূর্ঘটনার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে মাঝে মধ্যে সমস্যা বিঘ্নিত হলেও নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে। মিটার গ্রাহকদের নাম- ঠিকানা ত্রুটির ব্যাপারে অফিস দায়ি নয় বরং গ্রাহকদের দায়ী করছেন তিনি। তাছাড়া অতিরিক্ত বিল আদায়, পরিশোধিত বিলের টাকা পরবর্তী মাসের বিলে তুলে দেয়ার ব্যাপারে সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন,এটা জুন মাস এই মাসে ব্যতিক্রম হয়েছে।

তবে গ্রাহকদের অভিযোগ করোনা কালীন সময়ে বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকায় দোকানে দোকানে বসেও বিদ্যুৎ বিল করছে অফিস কর্মকর্তারা। এভাবে বিল আদায় করার পরেও তারা পরবর্তী মাসের বিলের সাথে পরিশোধ করা বিল গুলো নতুন ভাবে সংযোগ করে দিয়ে আমাদের হয়রানি করতেছে বলে অভিযোগ করছে অনেক গ্রাহক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here