Home আমার চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম জেলা বাঁশখালীতে ভারী বর্ষণে পানি বন্দি হাজার হাজার মানুষ!

বাঁশখালীতে ভারী বর্ষণে পানি বন্দি হাজার হাজার মানুষ!

বাঁশখালীতে ভারী বর্ষণে পানি বন্দি হাজার হাজার মানুষ!

মুহাম্মদ দিদার হোসাইন,
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে টানা বর্ষণের ফলে নিম্নাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ পানি বন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

৮ আগস্ট (রবিবার) থেকে আবারো টানা বর্ষণ শুরু হওয়ায় ফলে বাঁশখালী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।এতে ফসলি জমি,ক্ষেত খামার,পুকুর ও মৎস্য প্রজেক্ট পানিতে ডুবে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয় ক্ষেত খামারী, মৎস্য চাষি সহ কৃষকরা। তাছাড়া রাস্তা-ঘাট ডুবে যাওয়ায় সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের সাথে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

পুকুরিয়া,প্রেমাশিয়া,বৈলছড়ি,কালীপুুর, চেচুরিয়া,খানখানাবাদ,রত্নপুর,সরল, গণ্ডামারা, বড়ঘোনা,শীলকুপ, ছনুয়া,চাম্বল, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি সহ অনেক এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গণ্ডামারা ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকায় পানি বন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে সাধারণ মানুষ। পানি চলাচলের স্রুচ গেইট গুলো খোলা থাকলেও গণ্ডামারা এলাকায় এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণাধীন এলাকায় চর্তুপার্শ্বে মাটি ভরাট করায় পানি চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় জনসাধারণের অভিযোগ,তারা বলেন, আমাদের এলাকার প্রতিনিধিরা কোন একটি সড়ক সংস্কার করলেই ফেইসবুক জুড়ে ব্যাপক তোলপাড় হয় তাদের প্রশংসার জোয়ার,মূলত এখনো পর্যন্ত যে উপজেলার উপকুলীয় এলাকার অধিকাংশ রাস্তা-ঘাট সংস্কারের অভাবে চলাচল অযোগ্য হয়ে আছে তার কোন খবরই রাখেননা স্থানীয় প্রতিনিধিরা।

সরল, গণ্ডামারা,শীলকুপ,চাম্বল, ছনুয়া, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি, পুকুরিয়া সহ প্রায় এলাকার গ্রামিন সড়ক গুলো বেহাল দশায় পড়ে আছে।এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ।

নির্বাচন আসলেই বাঁশখালীতে মাটি ও মানুষের দরুদীর অভাব থাকেনা,আবার নির্বাচনের পর থেকে ওইসব জন দরুদীরা সাধারণ মানুষের কোন খবর রাখেনা বলেও জানান স্থানীয়রা। এছাড়া বৈলছড়়ি ইউপিস্থ বায়ান্ন পাড়া এলাকায় পাহাড়ি ঢলের স্রোতে সৈয়দ আহমদ শাহ সড়কের একটি পুরনো কালভার্ট ভেঙে পানিতে তলিয়ে গেছে, এতে জঙ্গল পাইরাং, চেচুরিয়া ও সরল ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ওই এলাকার স্থানীয়দের অভিযোগ প্রতিবছরই বর্ষার মৌসুমে পাহাড়়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে পুকুর, মৎস্য প্রজেক্ট, ফসলি জমি, ক্ষেত খামার নষ্ট হয়ে লাখ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলেও জানান তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here