মুহাম্মদ দিদার হোসাইন,
বাঁশখালী(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
চট্রগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব পুইঁছড়ি এলাকার আহমদ মিয়ার পুত্র মিন্টু মিয়া (৪২) পেকুয়া থানার টইটং- ইউনিয়নের বটতলী এলাকায় গণপিটুনির স্বীকার হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
২২ ডিসেম্বর ২০ ইং-রোজ (মঙ্গলবার) বিকেল আনুমানিক সাড়ে তিন টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বাঁশখালী উপজেলার পুইঁছড়ি ইউনিয়নের শফিউল কাদের খোকন ও পেকুয়ার টইটং ইউনিয়নের বটতলী এলাকার নুরুল কবির মেম্বারের বিরোধীয় জায়গায় বালু উত্তোলনের বিষয়কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে প্রতিপক্ষের এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এর স্ত্রী ফরিজা খাতুন ও তার মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ গুরুতর আহত হয়।
ঘটনার খবর চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন মিন্টু গং কে ধাওয়া করে গণপিটুনি দেয় এতে মিন্টু মিয়ার ডান হাত ভেঙে শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মিন্টু মিয়া ওরফে মিন্টু ডাকাত নিহত হয়।পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মিন্টুর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে মর্গে প্রেরণ করেছে বলে জানাই ওসি তদন্ত কানন সরকার।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শফিউল কবির বলেন, মিন্টু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনা যেহেতু পেকুয়া থানাধীন এলাকায় সংঘঠিত হয়েছে সেহেতু মামলা ও সুরতহাল সেখানেই হবে।তাছাড়া নিহত মিন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় খুন, অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও বন মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে বলেও জানান ওসি সফিউল কবীর।