ভারত সরকার কতৃক কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিট ও জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর ৩য় চালান বাংলাদেশে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাঈম আহমেদ কপিল,
বাংলাদেশের জন্য কোভিড-১৯ ভাইরাস শনাক্তকরণ কিট সমন্বিত জরুরি চিকিৎসা সহায়তার তৃতীয় চালান পাঠিয়েছে ভারত।

বুধবার (৬ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের কাছে চালানটি হস্তান্তর করেন ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ। হাই কমিশন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিটগুলোর সাহায্যে ৩০ হাজার পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। গত ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি করোনা বিস্তার রোধে এবং স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে এই মহামারির প্রভাব হ্রাস করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তায় ভারতের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিলেন।

রীভা গাঙ্গুলি জানান, শনাক্তকরণ কিটগুলো ভারতের ‘মাই ল্যাব ডিসকভারি সলিউশন প্রাইভেট লিমিটেড’ দ্বারা উত্পাদিত এবং কোভিড-১৯ ভাইরাস শনাক্তকরণের জন্য ভারতে বহুল ব্যবহৃত। বাংলাদেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই শনাক্তকরণ কিট প্রাপ্ত প্রথম অংশীদার দেশ যা এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতি ভারতের গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথমে’ নীতির অংশ হিসেবে এবং করোনা বিস্তার রোধে একটি সহযোগিতামূলক আঞ্চলিক প্রচেষ্টার লক্ষ্যে ১৫ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সার্ক নেতাদের নিয়ে একটি ভিডিও সম্মেলন করেছিলেন।

তিন দফায় ভারতের সহায়তার প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, শনাক্তকরণ কিটগুলো বাংলাদেশে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়িয়ে দেবে, যা এই মুহূর্তে খুব প্রয়োজন।’

আরটি-পিসিআর পরীক্ষার কিটগুলো ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে আনার পর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারত সরকার কতৃক কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কিট ও জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর ৩য় চালান বাংলাদেশে

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

নাঈম আহমেদ কপিল,
বাংলাদেশের জন্য কোভিড-১৯ ভাইরাস শনাক্তকরণ কিট সমন্বিত জরুরি চিকিৎসা সহায়তার তৃতীয় চালান পাঠিয়েছে ভারত।

বুধবার (৬ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের কাছে চালানটি হস্তান্তর করেন ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ। হাই কমিশন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিটগুলোর সাহায্যে ৩০ হাজার পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। গত ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি করোনা বিস্তার রোধে এবং স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে এই মহামারির প্রভাব হ্রাস করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তায় ভারতের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিলেন।

রীভা গাঙ্গুলি জানান, শনাক্তকরণ কিটগুলো ভারতের ‘মাই ল্যাব ডিসকভারি সলিউশন প্রাইভেট লিমিটেড’ দ্বারা উত্পাদিত এবং কোভিড-১৯ ভাইরাস শনাক্তকরণের জন্য ভারতে বহুল ব্যবহৃত। বাংলাদেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই শনাক্তকরণ কিট প্রাপ্ত প্রথম অংশীদার দেশ যা এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতি ভারতের গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথমে’ নীতির অংশ হিসেবে এবং করোনা বিস্তার রোধে একটি সহযোগিতামূলক আঞ্চলিক প্রচেষ্টার লক্ষ্যে ১৫ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সার্ক নেতাদের নিয়ে একটি ভিডিও সম্মেলন করেছিলেন।

তিন দফায় ভারতের সহায়তার প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, শনাক্তকরণ কিটগুলো বাংলাদেশে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়িয়ে দেবে, যা এই মুহূর্তে খুব প্রয়োজন।’

আরটি-পিসিআর পরীক্ষার কিটগুলো ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে আনার পর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছে।