মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও বাণী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও বাণী

আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় ও জাতীয় জীবনে আত্নত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম সহ সমগ্র দেশের সম্মানিত পাঠকদের “চট্টগ্রাম ট্রিবিউন” এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রনায়ক এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি নির্ভীক ও অদম্য বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে যাঁদের ত্যাগ জাতিকে মুক্ত করেছে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে নিরন্তর প্রেরণা যোগাচ্ছে।

১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে দেশ মাতৃকার ডাকে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মৃক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অসমসাহসী নির্ভীক, অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবনকে বিপন্ন করে ঝাঁপিয়ে পড়েন মহান মুক্তিযুদ্ধে। এ সূর্য সন্তানদের সুমহান আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এক অবিস্মরণীয় বিজয়ের মাধ্যমে। তাই বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের কল্যাণেই আজ বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা হল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত অসম্প্রদায়িক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এলক্ষ্য অর্জনে আমাদের সংগ্রাম অব্যহত আছে। এজন্য প্রয়োজন সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধ কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের চাকুরীতে বয়স-সীমা বৃদ্ধি, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি,রেশন প্রদান, চিকিৎসা সুবিধাসহ নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদানে সরকার বদ্ধ পরিকর।

২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হবে। এই সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে আসুন দল-মত-শ্রেনী-পেশা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করি। এমন একটি রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণ করি যেখানে থাকবে প্রতিটি নাগরিকের উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা।

আগামী দিনের বাংলাদেশ হোক কাঙ্খিত স্বপ্নের সোনার বাংলা, যেখানে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য থাকবে সম্ভাবনার অপার দিগন্ত। সবাইকে আবারও বিজয় ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা। বাংলাদেশ চিরজীবি হোক।

শুভেচ্ছান্তে
সায়েম মাহমুদ
সম্পাদক
চট্টগ্রাম ট্রিবিউন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও বাণী

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও বাণী

আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় ও জাতীয় জীবনে আত্নত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম সহ সমগ্র দেশের সম্মানিত পাঠকদের “চট্টগ্রাম ট্রিবিউন” এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আমরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রনায়ক এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি নির্ভীক ও অদম্য বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে যাঁদের ত্যাগ জাতিকে মুক্ত করেছে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে নিরন্তর প্রেরণা যোগাচ্ছে।

১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে দেশ মাতৃকার ডাকে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মৃক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অসমসাহসী নির্ভীক, অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবনকে বিপন্ন করে ঝাঁপিয়ে পড়েন মহান মুক্তিযুদ্ধে। এ সূর্য সন্তানদের সুমহান আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এক অবিস্মরণীয় বিজয়ের মাধ্যমে। তাই বীর মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের কল্যাণেই আজ বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা হল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত অসম্প্রদায়িক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এলক্ষ্য অর্জনে আমাদের সংগ্রাম অব্যহত আছে। এজন্য প্রয়োজন সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধ কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের চাকুরীতে বয়স-সীমা বৃদ্ধি, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি,রেশন প্রদান, চিকিৎসা সুবিধাসহ নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান প্রদানে সরকার বদ্ধ পরিকর।

২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপিত হবে। এই সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে আসুন দল-মত-শ্রেনী-পেশা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করি। এমন একটি রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণ করি যেখানে থাকবে প্রতিটি নাগরিকের উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা।

আগামী দিনের বাংলাদেশ হোক কাঙ্খিত স্বপ্নের সোনার বাংলা, যেখানে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য থাকবে সম্ভাবনার অপার দিগন্ত। সবাইকে আবারও বিজয় ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা। বাংলাদেশ চিরজীবি হোক।

শুভেচ্ছান্তে
সায়েম মাহমুদ
সম্পাদক
চট্টগ্রাম ট্রিবিউন