মাইটভাঙ্গা ৭ ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলন জাল ভোটের অভিযোগে পন্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০১৯ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইলিয়াছ সুমন:
মাইটভাঙ্গা ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলন আজ স্হানীয় নুরুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ে নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা পরবর্তী সভাপতি পদে ৩ জন সেক্রেটারি পদে ২ জনের ভোট গ্রহন শুরু হয়। শুরুতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হলে ও শেষে জাল ভোটের অভিযোগে মারামারি শুরু হয় এবং সম্মেলন পন্ডু হয়ে যাই, এতে নারী সহ স্হানীয় ইউপি সদস্য আহত হন। পরে সন্দ্বীপ থানার ওসির নেতৃত্বে পরিস্হতি নিয়ন্ত্রণে আনে,

এ ব্যাপরে স্হানীয় ইউপি সদস্য করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমরা বঙ্গবন্দুর আর্দশের রাজনিতি করি, এটা একটি পক্ষ আমাদের মেনে নিতে পারে না, তিনি সম্মেলন পন্ডুর জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বী হেলাল কে দায়ী করেন।

মাইটভাঙা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুর রহমান শিবলি বলেন দলে বিএনপি মার্কা লোক ভোটার করার কারনে আজ এ অবস্হা, এবং এগুলি তারাই গটাচ্চে।

মাইটভাঙা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক দিদারুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমরা সম্মেলন সুস্হ ভাবে শুরু করছি করিম মেম্বার আদিপত্য বিস্তার করার কারনে সম্মেলনে মারামারি শুরু হয়।

এ ব্যাপরে টেনিফোনে যোগাযোগ করা হলে সন্দ্বীপ থানার ওসি শেখ শরিফুল আলম চট্রগ্রাম ট্রিবিউন কে জানান মাইটভাঙার প্রাগ্রামের মারামারির খবর আমরা জানা মাত্র সেখানে গিয়ে পরিস্হতি নিয়ন্ত্রণে আনি, বর্মতানে এলাকা শান্ত রয়েছে। কাউকে আটক করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাইটভাঙ্গা ৭ ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলন জাল ভোটের অভিযোগে পন্ড

আপডেট সময় : ১১:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০১৯

ইলিয়াছ সুমন:
মাইটভাঙ্গা ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্মেলন আজ স্হানীয় নুরুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ে নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা পরবর্তী সভাপতি পদে ৩ জন সেক্রেটারি পদে ২ জনের ভোট গ্রহন শুরু হয়। শুরুতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হলে ও শেষে জাল ভোটের অভিযোগে মারামারি শুরু হয় এবং সম্মেলন পন্ডু হয়ে যাই, এতে নারী সহ স্হানীয় ইউপি সদস্য আহত হন। পরে সন্দ্বীপ থানার ওসির নেতৃত্বে পরিস্হতি নিয়ন্ত্রণে আনে,

এ ব্যাপরে স্হানীয় ইউপি সদস্য করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমরা বঙ্গবন্দুর আর্দশের রাজনিতি করি, এটা একটি পক্ষ আমাদের মেনে নিতে পারে না, তিনি সম্মেলন পন্ডুর জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বী হেলাল কে দায়ী করেন।

মাইটভাঙা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুর রহমান শিবলি বলেন দলে বিএনপি মার্কা লোক ভোটার করার কারনে আজ এ অবস্হা, এবং এগুলি তারাই গটাচ্চে।

মাইটভাঙা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক দিদারুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমরা সম্মেলন সুস্হ ভাবে শুরু করছি করিম মেম্বার আদিপত্য বিস্তার করার কারনে সম্মেলনে মারামারি শুরু হয়।

এ ব্যাপরে টেনিফোনে যোগাযোগ করা হলে সন্দ্বীপ থানার ওসি শেখ শরিফুল আলম চট্রগ্রাম ট্রিবিউন কে জানান মাইটভাঙার প্রাগ্রামের মারামারির খবর আমরা জানা মাত্র সেখানে গিয়ে পরিস্হতি নিয়ন্ত্রণে আনি, বর্মতানে এলাকা শান্ত রয়েছে। কাউকে আটক করা হয়নি।