মানবতার সড়কে ধান চাষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০১৯ ১২০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানবতার সড়কে ধান চাষ

টেকনাফ প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজার-টেকনাফের মানবতার সড়ক খ্যাত (শহীদ এটিএম জাফর আলম)সড়কটি দীর্ঘদিনেও মেরামত কিংবা সংষ্কার না হওয়ায়
বুধবার (৩১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোটবাজার সড়কে ধানের চারা লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সড়কে ধান রোপণে অংশ নেয় স্থানীয় বাসিন্দা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ পথে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ।

ভুক্তভোগীরা জানান, বাস্তহারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সেবায় রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত আছেন ২ হাজার বিদেশিসহ অন্তত ১১ হাজার চাকরিজীবী। তাঁদের আনা–নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে ২ হাজারের বেশি প্রাইভেট কার। রোহিঙ্গা শিবিরে দৈনিক গড়ে ৪ শতাধিক ট্রাকে মালামাল পরিবহন হচ্ছে। এ ছাড়া টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্যে আমদানি-রপ্তানির ট্রাক, পর্যটকদের গাড়ি, যাত্রীবাহী বাস চলাচল করছে আরও এক হাজারের বেশি। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা, জিপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলে আরও ৭ হাজার। ফলে সড়কটিতে যানবাহন চলাচলে চাপে লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে সড়ক।

রোহিঙ্গা আসার পর থেকে অতিরিক্ত যানবাহন বেড়ে যাওয়ায় সড়কের কোটবাজার, মরিচ্যা, উখিয়া সদর, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে বড় বড় পাঁচ শতাধিক খানাখন্দ ও ভাঙা রয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিদিন দেশি বিদেশি ভিআইপিরা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলেও উখিয়া-টেকনাফের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছেনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মানবতার সড়কে ধান চাষ

আপডেট সময় : ০১:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০১৯

মানবতার সড়কে ধান চাষ

টেকনাফ প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজার-টেকনাফের মানবতার সড়ক খ্যাত (শহীদ এটিএম জাফর আলম)সড়কটি দীর্ঘদিনেও মেরামত কিংবা সংষ্কার না হওয়ায়
বুধবার (৩১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কোটবাজার সড়কে ধানের চারা লাগিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সড়কে ধান রোপণে অংশ নেয় স্থানীয় বাসিন্দা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ পথে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ।

ভুক্তভোগীরা জানান, বাস্তহারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সেবায় রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত আছেন ২ হাজার বিদেশিসহ অন্তত ১১ হাজার চাকরিজীবী। তাঁদের আনা–নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে ২ হাজারের বেশি প্রাইভেট কার। রোহিঙ্গা শিবিরে দৈনিক গড়ে ৪ শতাধিক ট্রাকে মালামাল পরিবহন হচ্ছে। এ ছাড়া টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্যে আমদানি-রপ্তানির ট্রাক, পর্যটকদের গাড়ি, যাত্রীবাহী বাস চলাচল করছে আরও এক হাজারের বেশি। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা, জিপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলে আরও ৭ হাজার। ফলে সড়কটিতে যানবাহন চলাচলে চাপে লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে সড়ক।

রোহিঙ্গা আসার পর থেকে অতিরিক্ত যানবাহন বেড়ে যাওয়ায় সড়কের কোটবাজার, মরিচ্যা, উখিয়া সদর, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে বড় বড় পাঁচ শতাধিক খানাখন্দ ও ভাঙা রয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিদিন দেশি বিদেশি ভিআইপিরা সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলেও উখিয়া-টেকনাফের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছেনা।