মিরসরাই প্রতিনিধি:
মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের প্রধান সড়ক বড়তাকিয়া বাজারের পাশ দিয়ে গা ঘেঁষে তৈরি করা হয়। সড়কটির নাম করন করা হয়েছে “শেখ হাসিনা সড়ক”। অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রধান সড়কটির চলমান কাজ অব্যাহত রয়েছে কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে সড়কের দুই পাশে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না করায় অল্প বৃষ্টিতে সড়কের দুই পাশে পানি জমে সৃষ্টি হয় জনদুর্ভোগ।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পুরোনো সি এন জি স্ট্যান্ড এলাকা সড়কের দুই পাশে, আবার কোথাও এক পাশে পানি জমে আছে। কোথাও পানি ও কাদা দুটোই আছে। পথচারীদের এই কাদাপানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বৃষ্টি হলে সাথে সাথে হাটু পরিমাণ পানি জমে থাকে বড়তাকিয়া কাঁচা বাজারে।
এলাকাবাসীরা বলেন, শেখ হাসিনা সড়কটি হওয়ার আগে এখান থেকে বৃষ্টির পানি গুলা সরাসরি খালে গিয়ে পড়তো ফলে আর সড়কে পানি জমে থাকতো না কিন্তু অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য শেখ হাসিনা সড়কটি করার পর থেকে পানি নিষ্কাশনের জায়গা না থাকায় হালকা বৃষ্টিতে পানি জমে সৃষ্টি হয় দুর্ভোগ।
বড়তাকিয় বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, পানি বের হওয়ার পথ না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে সড়কে পানি জমে থাকে। এতে জমে থাকা কাদাপানি মাড়িয়ে অনেক ক্রেতা দোকানে আসতে চান না।
বড়তাকিয়া বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সোহেল বলেন, একবার সামান্য বৃষ্টি হলেই তিন থেকে চার দিন বাজারে পানি জমে থাকে। কাদাপানিতে ক্রেতা বিক্রেতার ভোগান্তি হচ্ছে। পানির জন্য বাজারে ক্রেতারা আসেনা ফলে আমাদের কাঁচা মাল নষ্ট হয়ে যায় প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা লোকসান দিতে হয়।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল শেখ হাসিনা সড়কের সহকারি প্রকৌশলী মোঃ আজাদ হোসাইন বলেন, সড়কের পাশে ড্রেন করার কোন বাজেট আমাদের নেই তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ দিয়ে শেখ হাসিনা সড়কের প্রবেশ মুখে ২৫ মিটারের একটি কালভার্ট এর নকশা রয়েছে এটির কাজ অতি শীঘ্রই ধরা হবে। বিটুমিনের তৈরি সড়কে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকলে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সড়কে পানি যেন জমে না থাকে, সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে ১২ নং খৈয়াছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহেদ ইকবাল চৌধুরি বলেন,সড়ক ও জনপথ (সওজ) মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল শেখ হাসিনা সড়কের প্রকৌশলীদের সাথে অনেক বার আলাপ হয়েছে তারা জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।