মৎস্যজীবীদের ভি.জি.এফ’র চাল বিতরন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ ৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, প্রজনন পরিবেশ সুরক্ষায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকা সময়ে নিবন্ধিত মৎস্যজীবী পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভি.জি.এফ চাল বরাদ্দ একটি প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ। এর ফলে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালে বেকার মৎস্যজীবী পরিবারের দুর্ভোগ লাঘব ও অন্নের সংস্থান হবে।

তিনি বুধবার (২৮ অক্টোবর) নগরীর উত্তর কাট্টলীস্থ খেজুরতলা জেলে পাড়ায় মৎস্যজীবীদের মাঝে সরকারি চাল বিতরণকালে একথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, মৎস্য প্রজননকালীন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর আকার ও ওজন বড় হচ্ছে। এতে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হচ্ছেন। এ ছাড়াও সামুদ্রিক মাছ রফতানী করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাময়িক সমস্যা হলেও নির্দ্দিষ্ট সময়ে মৎস্য আহরণের নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে জেলেরাই বেশি লাভবান হবে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে স্থানীয় কর্ণেল হাট ও ঝোলার হাটে সামুদ্রিক মাছ দেখা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জেলেদের সতর্ক করেন।

বহিরাগত মৌসুমী মৎস্যজীবীরা স্থানীয় কিছু মানুষের সহযোগিতায় জেলেদের মৎস্য আহরণে বাঁধা দেয় ও নির্যাতন চালায় বলে জেলেদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসক বলেন, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনীকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হবে।

অনুষ্ঠানে জেলে সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অনাথ বন্ধু দাস, সুভাষ দাস, সমীরণ দাস, রতন দাসসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মৎস্যজীবীদের ভি.জি.এফ’র চাল বিতরন

আপডেট সময় : ০৮:০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, প্রজনন পরিবেশ সুরক্ষায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকা সময়ে নিবন্ধিত মৎস্যজীবী পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভি.জি.এফ চাল বরাদ্দ একটি প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ। এর ফলে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালে বেকার মৎস্যজীবী পরিবারের দুর্ভোগ লাঘব ও অন্নের সংস্থান হবে।

তিনি বুধবার (২৮ অক্টোবর) নগরীর উত্তর কাট্টলীস্থ খেজুরতলা জেলে পাড়ায় মৎস্যজীবীদের মাঝে সরকারি চাল বিতরণকালে একথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, মৎস্য প্রজননকালীন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর আকার ও ওজন বড় হচ্ছে। এতে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হচ্ছেন। এ ছাড়াও সামুদ্রিক মাছ রফতানী করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জেলেদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাময়িক সমস্যা হলেও নির্দ্দিষ্ট সময়ে মৎস্য আহরণের নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে জেলেরাই বেশি লাভবান হবে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে স্থানীয় কর্ণেল হাট ও ঝোলার হাটে সামুদ্রিক মাছ দেখা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জেলেদের সতর্ক করেন।

বহিরাগত মৌসুমী মৎস্যজীবীরা স্থানীয় কিছু মানুষের সহযোগিতায় জেলেদের মৎস্য আহরণে বাঁধা দেয় ও নির্যাতন চালায় বলে জেলেদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসক বলেন, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনীকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হবে।

অনুষ্ঠানে জেলে সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অনাথ বন্ধু দাস, সুভাষ দাস, সমীরণ দাস, রতন দাসসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।