রকমারিতে রেকর্ড গড়ল জুনায়েদ ইভানের গ্রন্থ ‘শেষ’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০ ৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুহাম্মদ আবু আবিদঃ
লেখক মানেই মুখভর্তি গোঁফ-দাড়ি থাকবে, সে ধারণা বদলিয়েছে অনেক আগেই। বিভিন্ন পেশার মানুষেরা যেমন পাঠকের খাতায় নাম লিখিয়েছেন,ঠিক তেমন ভাবে পেশাজীবীরা তাদের পেশা ঠিক রেখেই বাস্তবধর্মী লেখা লিখছেন। কোন সময় তা পত্রিকার ফিচারে কিংবা কলামে। কিন্তু এমন যদি হয়, দেশের জনপ্রিয় গায়ক সরাসরি উপন্যাস লিখে সাহিত্যের রাজ্যে পর্দাপন করেছেন ,তাহলে তো অসাধারণ কিছু ঘটবেই।

ঠিক তা-ই ঘটেছে। প্রি-অর্ডারের ইতিহাস বদলে দিয়েছে জুনায়েদ ইভানের গ্রন্থ ‘শেষ’। প্রি-অর্ডার শুরুর মাত্র ৪ দিনের মধ্যেই রেকর্ড সংখ্যক প্রি অর্ডার হয় বইটি, এমনটিই জানিয়েছে দেশের শীর্ষতম অনলাইন বুক শপ রকমারি।

জুনায়েদ ইভান। জনপ্রিয় ব্যান্ড অ্যাশেজ এর ভোকালিস্ট হিসেবেই তার খ্যাতি এবং পরিচিতি। অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২১ উপলক্ষ্যে কিংবদন্তী পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিতব্য ‘শেষ’ তার প্রথম উপন্যাস। বইটি প্রকাশের আগেই পাঠকের কাছ থেকে ব্যাপকভাবে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান কিংবদন্তী পাবলিকেশন এর সত্ত্বাধিকারী অঞ্জন হাসান পবন। তিনি বলেন কিংবদন্তী পাবলিকেশন এর এবারের বই মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ জুনায়েদ ইভান ভাইয়ের উপন্যাস ‘শেষ’। গ্রন্থটির প্রচ্ছদ করেছেন সঞ্চিতা দাশ সৃষ্টি।

শেষ গ্রন্থটির লেখক জুনায়েদ ইভান বলেন “আমি কখনো নিজেকে লেখক হিসেবে পরিচয় দেই না। কেননা এই যোগ্যতা আমার নেই। আমি শখ করে লেখি। সেখান থেকেই একটা উপন্যাস লেখা। লিখতে গিয়ে মনে হল, আমি আসলে গল্প বলতে পারি না। গল্প ভিন্ন জিনিস। কিন্তু আমি মুহূর্ত নিয়ে কাজ করতে পারি। এক একটা মুহূর্তকে এক একটা জায়গা থেকে দেখা। কোন ঘটনা নেই এর মাঝে যখন অনেক গুলো মুহূর্ত অনেক জায়গা থেকে এসে অনেকগুলো ভিন্ন সময়কালে একসাথে হয়- তখন সেখানে গল্প তৈরি হয়। আমি সেই গল্পটা বলার চেষ্টা করেছি।”

‘শেষ’ গ্রন্থটি সাধারণ পাঠকদের কাছে এখনই বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। সম্পূর্ণ বইটি পড়ার পর হয়তো আলোচনা-সমালোচনা থাকবে। কিন্তু জনপ্রিয় এইরকম ব্যক্তিরা যদি বই লেখা শুরু করেন,তাহলে আমার মনে হয় সমাজের যেসকল জায়গায় এখনও বইয়ের আলো পৌঁছায় নি, সেসকল জায়গার তরুণ প্রজন্মও বই পড়তে শুরু করবে। তাছাড়াও জুনায়েদ ইভান বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়ান শো- এর জন্য। তাই তার লেখায় বাংলাদেশের বৈচিত্র্যতা উঠে আসবে বলে আমি আশাবাদী।

সব তো জানালাম, কিন্তু ‘শেষ’ গ্রন্থের উপন্যাস টা আসলে কি নিয়ে??? দাঁড়ান, আগে প্রি-অর্ডার টা দিয়ে রাখি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রকমারিতে রেকর্ড গড়ল জুনায়েদ ইভানের গ্রন্থ ‘শেষ’

আপডেট সময় : ১১:২৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

মুহাম্মদ আবু আবিদঃ
লেখক মানেই মুখভর্তি গোঁফ-দাড়ি থাকবে, সে ধারণা বদলিয়েছে অনেক আগেই। বিভিন্ন পেশার মানুষেরা যেমন পাঠকের খাতায় নাম লিখিয়েছেন,ঠিক তেমন ভাবে পেশাজীবীরা তাদের পেশা ঠিক রেখেই বাস্তবধর্মী লেখা লিখছেন। কোন সময় তা পত্রিকার ফিচারে কিংবা কলামে। কিন্তু এমন যদি হয়, দেশের জনপ্রিয় গায়ক সরাসরি উপন্যাস লিখে সাহিত্যের রাজ্যে পর্দাপন করেছেন ,তাহলে তো অসাধারণ কিছু ঘটবেই।

ঠিক তা-ই ঘটেছে। প্রি-অর্ডারের ইতিহাস বদলে দিয়েছে জুনায়েদ ইভানের গ্রন্থ ‘শেষ’। প্রি-অর্ডার শুরুর মাত্র ৪ দিনের মধ্যেই রেকর্ড সংখ্যক প্রি অর্ডার হয় বইটি, এমনটিই জানিয়েছে দেশের শীর্ষতম অনলাইন বুক শপ রকমারি।

জুনায়েদ ইভান। জনপ্রিয় ব্যান্ড অ্যাশেজ এর ভোকালিস্ট হিসেবেই তার খ্যাতি এবং পরিচিতি। অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২১ উপলক্ষ্যে কিংবদন্তী পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিতব্য ‘শেষ’ তার প্রথম উপন্যাস। বইটি প্রকাশের আগেই পাঠকের কাছ থেকে ব্যাপকভাবে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান কিংবদন্তী পাবলিকেশন এর সত্ত্বাধিকারী অঞ্জন হাসান পবন। তিনি বলেন কিংবদন্তী পাবলিকেশন এর এবারের বই মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ জুনায়েদ ইভান ভাইয়ের উপন্যাস ‘শেষ’। গ্রন্থটির প্রচ্ছদ করেছেন সঞ্চিতা দাশ সৃষ্টি।

শেষ গ্রন্থটির লেখক জুনায়েদ ইভান বলেন “আমি কখনো নিজেকে লেখক হিসেবে পরিচয় দেই না। কেননা এই যোগ্যতা আমার নেই। আমি শখ করে লেখি। সেখান থেকেই একটা উপন্যাস লেখা। লিখতে গিয়ে মনে হল, আমি আসলে গল্প বলতে পারি না। গল্প ভিন্ন জিনিস। কিন্তু আমি মুহূর্ত নিয়ে কাজ করতে পারি। এক একটা মুহূর্তকে এক একটা জায়গা থেকে দেখা। কোন ঘটনা নেই এর মাঝে যখন অনেক গুলো মুহূর্ত অনেক জায়গা থেকে এসে অনেকগুলো ভিন্ন সময়কালে একসাথে হয়- তখন সেখানে গল্প তৈরি হয়। আমি সেই গল্পটা বলার চেষ্টা করেছি।”

‘শেষ’ গ্রন্থটি সাধারণ পাঠকদের কাছে এখনই বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। সম্পূর্ণ বইটি পড়ার পর হয়তো আলোচনা-সমালোচনা থাকবে। কিন্তু জনপ্রিয় এইরকম ব্যক্তিরা যদি বই লেখা শুরু করেন,তাহলে আমার মনে হয় সমাজের যেসকল জায়গায় এখনও বইয়ের আলো পৌঁছায় নি, সেসকল জায়গার তরুণ প্রজন্মও বই পড়তে শুরু করবে। তাছাড়াও জুনায়েদ ইভান বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়ান শো- এর জন্য। তাই তার লেখায় বাংলাদেশের বৈচিত্র্যতা উঠে আসবে বলে আমি আশাবাদী।

সব তো জানালাম, কিন্তু ‘শেষ’ গ্রন্থের উপন্যাস টা আসলে কি নিয়ে??? দাঁড়ান, আগে প্রি-অর্ডার টা দিয়ে রাখি।