রাজস্থলীতে ছোট ধান্য মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ ১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চাইথোয়াইমং মারমা, স্টাফ রিপোর্টার:
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় এবার ছোট ধান্য মরিচের বাম্পার ফলন ভালো হয়েছে। এতে,কৃষকের মুখে হাসির জোয়ার বয়ে অাসছে। জানা যায়,রাজস্থলীর দুর্গম পার্বত্য পাহাড় বৈশিষ্ট্য ১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের মাঘাইনপাড়া, জান্দিমইন ও মুবাছড়ি এলাকায় উচু উচু পাহাড়ে এ মরিচের চাষ করা হয়। পাহাড়ের উপজাতীয় সম্প্রদায়রা গায়ের ঘাস পায়ে ফেলে এ মরিচ চাষে করে। তাদের উৎপাদিত মরিচ দেশের বাহিরে তথা ঢাকা চট্রগ্রাম,, কুমিল্লা,রাঙ্গুনিয়া সহ বিভিন্ন জায়গা সরবরাহ করে থাকে।

জান্দিমইন এলাকার কৃষক, রতিমহন তনচংগ্যা জানান, বর্ষা মৌসুমে তারা চাড়া রোপন করে, শীত কাল অাসার সাথে সাথে মরিচ বিক্রি শুরে করে। একেক সময় মরিচের দাম বৃদ্ধি হয়। মুসলমানদের রমজানের সময় এ ধান্য মরিচের দাম আকাশচুম্বি। বুধবার ২৮ অক্টোবর এ দৃ্শ্য দেখা যায় রাজস্থলী বাজারের হাটের দিন। শহর থেকে মরিচ ক্রয় করতে অাসা ব্যবসায়ীরা মরিচ কিন্তে ধুম পড়েযায়। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান বলেন, প্রতি সপ্তাহে দেখি এ ধান্য মরিচ বাজারে উঠতে দেখি। প্রায় সময় কৃষকরা পরার্মশ নেওয়ার জন্য অামার অফিসে অাসে। অামি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাতের মাঠ পর্যায়ে চাষীদের সাথে মতবিনিময় করার জন্য পরার্মশ দিই। ফলে এবার ধান্য মরিচের বাম্পার ফলন হওয়াতে কৃষকের হাসি খুশি ফুটে উঠেছে। ছোট ধান্য চাষী নৃগোষ্ঠী কৃষকরা আগামীতে এর ভালো ফলন পাব বলে আশাবাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজস্থলীতে ছোট ধান্য মরিচের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় : ১০:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০

চাইথোয়াইমং মারমা, স্টাফ রিপোর্টার:
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় এবার ছোট ধান্য মরিচের বাম্পার ফলন ভালো হয়েছে। এতে,কৃষকের মুখে হাসির জোয়ার বয়ে অাসছে। জানা যায়,রাজস্থলীর দুর্গম পার্বত্য পাহাড় বৈশিষ্ট্য ১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের মাঘাইনপাড়া, জান্দিমইন ও মুবাছড়ি এলাকায় উচু উচু পাহাড়ে এ মরিচের চাষ করা হয়। পাহাড়ের উপজাতীয় সম্প্রদায়রা গায়ের ঘাস পায়ে ফেলে এ মরিচ চাষে করে। তাদের উৎপাদিত মরিচ দেশের বাহিরে তথা ঢাকা চট্রগ্রাম,, কুমিল্লা,রাঙ্গুনিয়া সহ বিভিন্ন জায়গা সরবরাহ করে থাকে।

জান্দিমইন এলাকার কৃষক, রতিমহন তনচংগ্যা জানান, বর্ষা মৌসুমে তারা চাড়া রোপন করে, শীত কাল অাসার সাথে সাথে মরিচ বিক্রি শুরে করে। একেক সময় মরিচের দাম বৃদ্ধি হয়। মুসলমানদের রমজানের সময় এ ধান্য মরিচের দাম আকাশচুম্বি। বুধবার ২৮ অক্টোবর এ দৃ্শ্য দেখা যায় রাজস্থলী বাজারের হাটের দিন। শহর থেকে মরিচ ক্রয় করতে অাসা ব্যবসায়ীরা মরিচ কিন্তে ধুম পড়েযায়। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান বলেন, প্রতি সপ্তাহে দেখি এ ধান্য মরিচ বাজারে উঠতে দেখি। প্রায় সময় কৃষকরা পরার্মশ নেওয়ার জন্য অামার অফিসে অাসে। অামি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাতের মাঠ পর্যায়ে চাষীদের সাথে মতবিনিময় করার জন্য পরার্মশ দিই। ফলে এবার ধান্য মরিচের বাম্পার ফলন হওয়াতে কৃষকের হাসি খুশি ফুটে উঠেছে। ছোট ধান্য চাষী নৃগোষ্ঠী কৃষকরা আগামীতে এর ভালো ফলন পাব বলে আশাবাদী।