রাজস্থলীতে বাংগালহালিয়া সপ্তাহিক হাটবাজারে ঈদ উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের দোকানে উপচে পড়া ভীড়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চাইথোয়াইমং মারমা রাজস্থলী, প্রতিনিধি:
রাজস্থলী উপজেলার বাংগালহালিয়া সপ্তাহিক হাটবাজারে সামনে শেষ পর্যায় ঈদের উপল ক্ষে আগে ভাগে খুচরা পাইকারী ব্যবসায়ীদের দোকানে ধুম ধাম কেনা বেঁচা উচ পড়া ভীড় সরেজমিনে ১৯ মে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় হাটবাজারে বিভিন্ন ব্যবসায় দোকানে ঘুরে এসে দেখি প্রচুর ক্রেতাদের সমাগম মিলে আর অন্যদিকে লক ডাউন বলা হয়েছে এবং একদিকে সামাজিক দুর ত্ব বজায় রেখে চলাচল মেনে চলা ও নিয়ম কানুন মেনে ক্রয় বিক্রয় করতে প্রত্যক ব্যবসায়ীদের প্রতি ও প্রশাসনভাবে নির্দেশনায় দেয়া আছে। কিন্তু বাস্তবে এসে দেখা যায় বাজারে এলাকায় কোন ধরনে জীবাণুমুক্ত স্যানিটাইজার হেন্ড ওয়াশ স্থাপন চোখে পড়েনি। এতে ঝুকির মধ্যে ক্রেতা ও বিক্রেতারা বিভিন্ন নিতৃ পণ্য প্রয়োজনীয় জিনিষ ধুম ধামে বিক্রি চলেছে। উল্লেখ্য কোন ব্যবসায়ী দোকানে সরকারী নিয়মে ক্রেতাদের জন্য গোল চক্কর চিহৃ দেখা যায়নি। এভাবে যদি সামাজিক দুর ত্ব বজায় না রেখে ক্রেতা বিক্রেতারা ব্যবসায় পরিচালনায় করলে পুরো এলাকা জুড়ে ঝুকি নোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়া প্রাদুর্ভাব অাসংক রয়েছে। এর পর বিভিন্ন ব্যবসায়ী দোকানে উচ পড়া ভীড় বা দলে দলে এসে জড়ো হয়ে ক্রেতারা প্রয়োজনীয় জিনিষ কিনে নিয়ে যাচ্ছে। একজন কাপড় ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক মাধ্যম কে জানান,কয়েক মাসে করোনা ভাইরাসে লকডাউনে ব্যবসায় ক্ষতি সাধন হয়েছে। আরো কয়েকজন কাচা ব্যবসায়ী বলেন,এবারে বিভিন্ন শাকসবজি কম মূল্যে বিক্রি করতে হয়েছে। আজকে সপ্তাহিক বাজারে বিভিন্ন দোকান খোলা আছে যেমন : মুদি দোকান, ইলেকট্রনিকস শপ,খাবারে হোটেল, ফাস্ট ফুড গ্যাসের চুলা দোকান কাপড়ের দোকান জুতার দোকান মাংসের ফার্ম মুরগিও ডিম দোকান মোবাইল রিচার্জ দোকান সারের দোকান ঔষুধের ফামের্সী দোকান লাইব্রেরি বইয়ের দোকান,প্লাস্টিক হার্ডওয়ার দোকান চায়ের দোকান খোলা দেখা যায়। অন্যদিকে কাঁচা শাকসবজি তরকারী ফলফ্রুট সহ মাছ শুটকি দোকান হাই স্কুলে মাঠ প্রাঙ্গণে খোলা বিক্রি করতে দেখা যায়। এতে ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড় দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে মাস্ক ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছেনা। তবে রাস্তা চলাচলে অটোসিএনজি ও মোটর সাইকেল যানবাহনে সাধারন জনগনরা আসা যাওয়া করতে দেখা যায়। এযাবৎ রাজস্থলী উপজেলাতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পজিটিভ ১জন পাওয়া গেছে। এখন পুরো জেলা জুড়ে স্থানীয় জনগনরা নোভিড-১৯ আতংকিত ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাই এরোগের ব্যাপারে সকলে সচেতন হওয়া জরুরী প্রতিটি ব্যক্তি অপ্রয়োজনে ঘরে হতে বের হওয়া বিরত থাকা যেখানে সেখানে কোনভাবে দল বল জড়ো না থাকা এবং দোকানে ৪/৫ জন মিলে আড্ডা দিতে বিধি নিষেধ বা বিরত থাকা বলা হয়েছে প্রশাসনভাবে ও। নিজে লক ডাউন মেনে চলুন অন্যকে চলার জন্য সহযোগিতায় দিন এবং সামাজিক দুর ত্ব বজার রেখে চলা চল করুন। কেউ বা সামাজিক দুর ত্ব বজায় রাখতে নারাজ দেখা যাচ্ছে। ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন। এই ছিল আজকের বাংগালহালিয়া সপ্তাহিক হাটবাজার দুশ্যবলী তুলে ধরলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজস্থলীতে বাংগালহালিয়া সপ্তাহিক হাটবাজারে ঈদ উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের দোকানে উপচে পড়া ভীড়

আপডেট সময় : ০৯:৫০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০

চাইথোয়াইমং মারমা রাজস্থলী, প্রতিনিধি:
রাজস্থলী উপজেলার বাংগালহালিয়া সপ্তাহিক হাটবাজারে সামনে শেষ পর্যায় ঈদের উপল ক্ষে আগে ভাগে খুচরা পাইকারী ব্যবসায়ীদের দোকানে ধুম ধাম কেনা বেঁচা উচ পড়া ভীড় সরেজমিনে ১৯ মে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় হাটবাজারে বিভিন্ন ব্যবসায় দোকানে ঘুরে এসে দেখি প্রচুর ক্রেতাদের সমাগম মিলে আর অন্যদিকে লক ডাউন বলা হয়েছে এবং একদিকে সামাজিক দুর ত্ব বজায় রেখে চলাচল মেনে চলা ও নিয়ম কানুন মেনে ক্রয় বিক্রয় করতে প্রত্যক ব্যবসায়ীদের প্রতি ও প্রশাসনভাবে নির্দেশনায় দেয়া আছে। কিন্তু বাস্তবে এসে দেখা যায় বাজারে এলাকায় কোন ধরনে জীবাণুমুক্ত স্যানিটাইজার হেন্ড ওয়াশ স্থাপন চোখে পড়েনি। এতে ঝুকির মধ্যে ক্রেতা ও বিক্রেতারা বিভিন্ন নিতৃ পণ্য প্রয়োজনীয় জিনিষ ধুম ধামে বিক্রি চলেছে। উল্লেখ্য কোন ব্যবসায়ী দোকানে সরকারী নিয়মে ক্রেতাদের জন্য গোল চক্কর চিহৃ দেখা যায়নি। এভাবে যদি সামাজিক দুর ত্ব বজায় না রেখে ক্রেতা বিক্রেতারা ব্যবসায় পরিচালনায় করলে পুরো এলাকা জুড়ে ঝুকি নোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়া প্রাদুর্ভাব অাসংক রয়েছে। এর পর বিভিন্ন ব্যবসায়ী দোকানে উচ পড়া ভীড় বা দলে দলে এসে জড়ো হয়ে ক্রেতারা প্রয়োজনীয় জিনিষ কিনে নিয়ে যাচ্ছে। একজন কাপড় ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক মাধ্যম কে জানান,কয়েক মাসে করোনা ভাইরাসে লকডাউনে ব্যবসায় ক্ষতি সাধন হয়েছে। আরো কয়েকজন কাচা ব্যবসায়ী বলেন,এবারে বিভিন্ন শাকসবজি কম মূল্যে বিক্রি করতে হয়েছে। আজকে সপ্তাহিক বাজারে বিভিন্ন দোকান খোলা আছে যেমন : মুদি দোকান, ইলেকট্রনিকস শপ,খাবারে হোটেল, ফাস্ট ফুড গ্যাসের চুলা দোকান কাপড়ের দোকান জুতার দোকান মাংসের ফার্ম মুরগিও ডিম দোকান মোবাইল রিচার্জ দোকান সারের দোকান ঔষুধের ফামের্সী দোকান লাইব্রেরি বইয়ের দোকান,প্লাস্টিক হার্ডওয়ার দোকান চায়ের দোকান খোলা দেখা যায়। অন্যদিকে কাঁচা শাকসবজি তরকারী ফলফ্রুট সহ মাছ শুটকি দোকান হাই স্কুলে মাঠ প্রাঙ্গণে খোলা বিক্রি করতে দেখা যায়। এতে ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড় দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে মাস্ক ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছেনা। তবে রাস্তা চলাচলে অটোসিএনজি ও মোটর সাইকেল যানবাহনে সাধারন জনগনরা আসা যাওয়া করতে দেখা যায়। এযাবৎ রাজস্থলী উপজেলাতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পজিটিভ ১জন পাওয়া গেছে। এখন পুরো জেলা জুড়ে স্থানীয় জনগনরা নোভিড-১৯ আতংকিত ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। তাই এরোগের ব্যাপারে সকলে সচেতন হওয়া জরুরী প্রতিটি ব্যক্তি অপ্রয়োজনে ঘরে হতে বের হওয়া বিরত থাকা যেখানে সেখানে কোনভাবে দল বল জড়ো না থাকা এবং দোকানে ৪/৫ জন মিলে আড্ডা দিতে বিধি নিষেধ বা বিরত থাকা বলা হয়েছে প্রশাসনভাবে ও। নিজে লক ডাউন মেনে চলুন অন্যকে চলার জন্য সহযোগিতায় দিন এবং সামাজিক দুর ত্ব বজার রেখে চলা চল করুন। কেউ বা সামাজিক দুর ত্ব বজায় রাখতে নারাজ দেখা যাচ্ছে। ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন নিরাপদে থাকুন। এই ছিল আজকের বাংগালহালিয়া সপ্তাহিক হাটবাজার দুশ্যবলী তুলে ধরলাম।