রোহিঙ্গা নারীরা ব্যস্ত স্থানীয় ছেলেদের নিয়ে – স্থানীয় নারীরা এনজিও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেক্স :
উখিয়া – টেকনাফে স্থানীয় নারীরা এনজিও চাকরি নিয়ে ব্যস্ত হলেও রোহিঙ্গা নারীরা স্থানীয় ছেলেদের বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত। বর্তমানে রোহিঙ্গা নারীদের কারণে প্রভাব পড়েছে স্থানীয়দের উপর।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকে বলেছেন, বাংলাদেশের আইনকে পাশ কাটিয়ে রেজিষ্ট্রেশন না করে গোপনে এ ধরণের বিয়ে হচ্ছে।

তবে কিছুদিন আগে বিয়ে করেছেন, এমন দম্পতির বক্তব্য হচ্ছে, রেজিষ্ট্রশন না করলেও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতেই তারা বিয়ে করেছেন।তারা বিয়ের ক্ষেত্রে আইনী কোনো বাধা বা নিষেধাজ্ঞা মানতে রাজি নন।

প্রশাসন বলেছে, মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা রোহিঙ্গাদের বৈধতা বা নাগরিকত্ব না দেওয়ার জন্য তাদের সাথে বাংলাদেশিদের বিয়ের ব্যাপারে সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

রোহিঙ্গা নারীরা স্থানীয়দের কবে কখন কিভাবে বিয়ে করে তা বুঝতে অনেক কঠিন ব্যাপার। টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে অর্ধেক স্থানীয় লোকজন রোহিঙ্গা নারীদের ফাঁদে।

আবার কেউ কেউ স্থানীয় বিয়ে করে তারপর রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করছে। সূত্রে জানাযাই স্থানীয় পুরুষের মধ্যে যারা একটু সচেতন তারা রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ে করে না, স্থানীয়দের মধ্যে বুড়ো বয়সে এসে ও বিয়ের আনাগোনা দেখা যাই।

টেকনাফ-উখিয়ার যে ইউনিয়নগুলোতে এ ধরণের বিয়ে বেশি হয় বলে স্থানীয় লোকেরা বলে থাকেন।

এর মধ্যে রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির কবির চৌধুরী বলেছেন, “স্থানীয় অনেকেই রোহিঙ্গা শরণার্থী মেয়ে বিয়ে করে রেশন বা সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য তাঁকে ক্যাম্পেই রেখে দিচ্ছে। এ ধরণের সুযোগ নিয়ে বাঙ্গালীদের অনেকেই ঘরে প্রথম স্ত্রী রেখে সময় কাটানো বা আমোদ-ফূর্তি করার জন্য রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করছে। এখন এমন তথ্য আমরা পাচ্ছি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রোহিঙ্গা নারীরা ব্যস্ত স্থানীয় ছেলেদের নিয়ে – স্থানীয় নারীরা এনজিও

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেক্স :
উখিয়া – টেকনাফে স্থানীয় নারীরা এনজিও চাকরি নিয়ে ব্যস্ত হলেও রোহিঙ্গা নারীরা স্থানীয় ছেলেদের বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত। বর্তমানে রোহিঙ্গা নারীদের কারণে প্রভাব পড়েছে স্থানীয়দের উপর।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকে বলেছেন, বাংলাদেশের আইনকে পাশ কাটিয়ে রেজিষ্ট্রেশন না করে গোপনে এ ধরণের বিয়ে হচ্ছে।

তবে কিছুদিন আগে বিয়ে করেছেন, এমন দম্পতির বক্তব্য হচ্ছে, রেজিষ্ট্রশন না করলেও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতেই তারা বিয়ে করেছেন।তারা বিয়ের ক্ষেত্রে আইনী কোনো বাধা বা নিষেধাজ্ঞা মানতে রাজি নন।

প্রশাসন বলেছে, মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা রোহিঙ্গাদের বৈধতা বা নাগরিকত্ব না দেওয়ার জন্য তাদের সাথে বাংলাদেশিদের বিয়ের ব্যাপারে সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

রোহিঙ্গা নারীরা স্থানীয়দের কবে কখন কিভাবে বিয়ে করে তা বুঝতে অনেক কঠিন ব্যাপার। টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে অর্ধেক স্থানীয় লোকজন রোহিঙ্গা নারীদের ফাঁদে।

আবার কেউ কেউ স্থানীয় বিয়ে করে তারপর রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করছে। সূত্রে জানাযাই স্থানীয় পুরুষের মধ্যে যারা একটু সচেতন তারা রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ে করে না, স্থানীয়দের মধ্যে বুড়ো বয়সে এসে ও বিয়ের আনাগোনা দেখা যাই।

টেকনাফ-উখিয়ার যে ইউনিয়নগুলোতে এ ধরণের বিয়ে বেশি হয় বলে স্থানীয় লোকেরা বলে থাকেন।

এর মধ্যে রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির কবির চৌধুরী বলেছেন, “স্থানীয় অনেকেই রোহিঙ্গা শরণার্থী মেয়ে বিয়ে করে রেশন বা সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য তাঁকে ক্যাম্পেই রেখে দিচ্ছে। এ ধরণের সুযোগ নিয়ে বাঙ্গালীদের অনেকেই ঘরে প্রথম স্ত্রী রেখে সময় কাটানো বা আমোদ-ফূর্তি করার জন্য রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করছে। এখন এমন তথ্য আমরা পাচ্ছি।”