Home সর্বশেষ সংবাদ এক্সক্লুসিভ “শিক্ষকতা পেশা”-কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম।

“শিক্ষকতা পেশা”-কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম।

“শিক্ষকতা পেশা”-কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম।

“শিক্ষকতা পেশা”
কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম

বিশ্বজুড়ে শিক্ষকতা পেশা বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত।অনেক দেশে শিক্ষকদের সম্মান যেমন সর্বোচ্চে তেমনি সম্মানীও উপযুক্তভাবে দেওয়া হয়।যদিও আমাদের দেশে সে তুলনায় অনেক কম।এরপরও শিক্ষকগণ তাদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
মানুষ গড়ার কারিগর হচ্ছেন শিক্ষকরা। মা- বাবা জন্ম দেয়ার পর মূলত শিক্ষকের হাতেই গড়ে উঠে সন্তান। ছাত্রকে মানুষ করার জন্য শিক্ষকের চেষ্টার অন্ত থাকে না।দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাতে হাজার, লক্ষ শিক্ষক শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। ছাত্রদের শিক্ষাদান করে যাচ্ছেন। আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদের মানুষ করার জন্য।শিক্ষক কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর দায়িত্বে অবহেলা করেন না বলেই বিশ্বাস করি।

আমার সুদীর্ঘ ২০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে অনেক ছাত্রছাত্রী বিভিন্নভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিজের একজন ছাত্র বা ছাত্রী যখন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা উচ্চ কোন পদে থেকেও দেখা-সাক্ষাতে শ্রদ্ধা,সম্মান করে তখন একজন শিক্ষকের বুক গর্বে ভরে উঠে।এখানে তো শিক্ষকদের তেমন সম্মানী নেই,নেই বড় কোন সুযোগসুবিধাও।ছাত্রের এতটুকু সম্মানও কি শিক্ষক পেতে পারেনা ?আমারও অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত।তাদের কাছাকাছি যখন যেতে হয় বা সাক্ষাতের সুযোগ হয় তখন তারা আমাকে সাধ্যানুযায়ী সমাদর করে।ভালো লাগে দেখামাত্র চেয়ার ছেড়ে যখন উঠে যেতে চায়,পা ছুঁতে চায়।শিক্ষক না চাইলেও দিতে চায় উপহার সামগ্রী বা তাদের সাধ্যমত কিছু।

কিন্তু যখন কোন ছাত্র শিক্ষককে সম্মান করেনা বা দেখা-সাক্ষাতে সালাম কিংবা শ্রদ্ধা করেনা তখন খুবই খারাপ লাগে।আগের মতো সেই শ্রদ্ধাবোধটুকু নেই।উঠে যাচ্ছে দ্রুতই।

যথোপযুক্ত সম্মানীর ব্যবস্থা হলে শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীরা আসতে আগ্রহী হবে।
সম্মানীর কথা চিন্তা করলে শিক্ষকগণ কবে যে তাদের পেশা ছেড়ে চলে যেতেন তা বলা বাহুল্য।মূলত: ছাত্রছাত্রীদের মানুষ করার তীব্র আকাংখা থেকে তারা এখানে থেকে যান।দায়িত্ববোধের চিন্তা করেন।

★লেখক : শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here