সন্দ্বীপে সাধারণ মানুষদের ঘরে থাকতে বললেও বাহিরে প্রচন্ড ভীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০ ১১৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইলিয়াছ সুমন, সন্দ্বীপঃ
মরনঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে ঘরে থাকার নির্দেশনা থাকলেও রাস্তায় বাড়ছে মানুষের ভীড়। রাস্তায় মানুষের ভীড় কমাতে ও করোনা সংক্রামণ এড়াতে জনগণকে নিজ-নিজ ঘরে থাকার সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশ, নৌবাহিনীর টহলের পাশাপাশি মাইকে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ (২ এপ্লিল ২০ বৃহস্পতিবার সন্দ্বীপ উপজেলার রাস্তাঘাটে তুলনমূলক অনেক বেশী মানুষ দেখা গেছে। উপজেলা ও পৌরশহরের সড়কগুলোতে ব্যক্তিগত ও ভাড়ালচালিত মোটর সাইকেল, ব্যাটারী চালিত রিক্সা, ইজিবাইক, রিক্সা-ভ্যান তেমন একটি দেখা না গেলে ও সদরের বাহিরে গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেক বেশী মানুষের চলাচল করতে দেখা গেছে।

মুদি দোকান, খাবারের দোকান এবং ঔষধের দোকান ছাড়াও উপজেলায় বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠার বন্ধ থাকলেও গত দুই-তিন দিনের চেয়ে আজকে খোলার সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যাই উপজেলার হারামিয়া আজাদ মার্কেট, মুছাপুর তালপাতা মার্কেট, মুছাপুর দীঘি তেমাথা হাসপাতালের সামনে, তহসিলদার তেমাথা, মাইটভাঙা, চৌদুরী বাজার, সারিকাইত সায়েদ সমিল, চৌরাস্তা মার্কেট, বাংলা বাজার সওদাগর হাট, মগধরা ষোল শহর , জনতা বাজার, শীলগেড়া, ইদ্রীস মুন্সির বাজার, আর্দশ বাজার, বেঁড়িবাধের দারুস সালাম মার্কেটের অধিকাংশ দোকান খোলা ও মানুষের প্রচুর ভির লক্ষ করা গেছে। আর স্কুলের মাঠ ও খালি গোলার অধিকাংশ জায়গা তে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতে দেখা যাই। সামনেসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অধিক সংখ্যক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে রেখেছেন।

এসব বাজারে বিশেষ করে মাগরিরের নামাজের পর চাদ রাতের মত মানুষের ভির বেশি লক্ষ করা যাই।
অপরদিকে করোনা সংক্রামণ এড়াতে জনগণকে সচেতন করতে, মানুষকে ঘরে থাকতে, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসন মাইকে বারবার অনুরোধ করে যাচ্ছেন। কে শোনে কার কথা। এত প্রচার- প্রচারনার পরেও মানুষ ঘরে থাকছেন না।

রাস্তায় বের হওয়া লোকজনের জন্য সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে চক পাউডার দিয়ে বৃত্ত একে দিয়েছেন বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংস্থা। বৃত্ত একে দেওয়ার পরেও বিভিন্ন দোকানে কিনতে যাওয়া ক্রেতারা তা তেমন একটা মানছেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সন্দ্বীপে সাধারণ মানুষদের ঘরে থাকতে বললেও বাহিরে প্রচন্ড ভীর

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০

ইলিয়াছ সুমন, সন্দ্বীপঃ
মরনঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে ঘরে থাকার নির্দেশনা থাকলেও রাস্তায় বাড়ছে মানুষের ভীড়। রাস্তায় মানুষের ভীড় কমাতে ও করোনা সংক্রামণ এড়াতে জনগণকে নিজ-নিজ ঘরে থাকার সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে পুলিশ, নৌবাহিনীর টহলের পাশাপাশি মাইকে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ (২ এপ্লিল ২০ বৃহস্পতিবার সন্দ্বীপ উপজেলার রাস্তাঘাটে তুলনমূলক অনেক বেশী মানুষ দেখা গেছে। উপজেলা ও পৌরশহরের সড়কগুলোতে ব্যক্তিগত ও ভাড়ালচালিত মোটর সাইকেল, ব্যাটারী চালিত রিক্সা, ইজিবাইক, রিক্সা-ভ্যান তেমন একটি দেখা না গেলে ও সদরের বাহিরে গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেক বেশী মানুষের চলাচল করতে দেখা গেছে।

মুদি দোকান, খাবারের দোকান এবং ঔষধের দোকান ছাড়াও উপজেলায় বেশিরভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠার বন্ধ থাকলেও গত দুই-তিন দিনের চেয়ে আজকে খোলার সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যাই উপজেলার হারামিয়া আজাদ মার্কেট, মুছাপুর তালপাতা মার্কেট, মুছাপুর দীঘি তেমাথা হাসপাতালের সামনে, তহসিলদার তেমাথা, মাইটভাঙা, চৌদুরী বাজার, সারিকাইত সায়েদ সমিল, চৌরাস্তা মার্কেট, বাংলা বাজার সওদাগর হাট, মগধরা ষোল শহর , জনতা বাজার, শীলগেড়া, ইদ্রীস মুন্সির বাজার, আর্দশ বাজার, বেঁড়িবাধের দারুস সালাম মার্কেটের অধিকাংশ দোকান খোলা ও মানুষের প্রচুর ভির লক্ষ করা গেছে। আর স্কুলের মাঠ ও খালি গোলার অধিকাংশ জায়গা তে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতে দেখা যাই। সামনেসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অধিক সংখ্যক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে রেখেছেন।

এসব বাজারে বিশেষ করে মাগরিরের নামাজের পর চাদ রাতের মত মানুষের ভির বেশি লক্ষ করা যাই।
অপরদিকে করোনা সংক্রামণ এড়াতে জনগণকে সচেতন করতে, মানুষকে ঘরে থাকতে, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসন মাইকে বারবার অনুরোধ করে যাচ্ছেন। কে শোনে কার কথা। এত প্রচার- প্রচারনার পরেও মানুষ ঘরে থাকছেন না।

রাস্তায় বের হওয়া লোকজনের জন্য সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে চক পাউডার দিয়ে বৃত্ত একে দিয়েছেন বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংস্থা। বৃত্ত একে দেওয়ার পরেও বিভিন্ন দোকানে কিনতে যাওয়া ক্রেতারা তা তেমন একটা মানছেন না।