সীতাকুণ্ডে তিন দিন ধরে জাহাজে ১৭ চীনা নাবিক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১২২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাঈম আহমেদ কপিল,
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাগর উপকূলে একটি স্ক্র্যাপ জাহাজে (কাটার জন্য আনা জাহাজ) তিন দিন ধরে অবস্থান করছেন ১৭ চীনা নাবিক। শনিবার বিকেলে সাগর উপকূলের সোনাইছড়ির লালবেগ শিপইয়ার্ডে জাহাজটি কাটার জন্য রাখা হলেও প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কে এসব নাবিককে নিচে নামতে দেওয়া হয়নি।

তবে এই ১৭ নাবিকের শরীরে কোনও করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন জাহাজ আমদানিকারক এজেন্সি মালিক।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায় বলেছেন, জাহাজের নাবিকদের তথ্য দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ তা জানায়নি। ফলে বিষয়টি সম্পর্কে তার জানা নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাপানের পতাকাবাহী ইউনি হারভেস্ট কার্গো জাহানটি ৯ হাজার মেট্টিকটন ওজনের। চীনা থেকে জাহানটি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ির লালবেগ শিপইয়ার্ডে কাটার জন্য শনিবার বিকেলে আনা হয়। যথা নিয়মে জাহাজটি ইয়ার্ডে সৈকতায়নও করা হয়। সৈকতায়নের পর জাহাজ থেকে নাবিকরা নেমে গেলেও এই ১৭ নাবিক এখনও জাহাজে রয়ে গেছেন।

জাহাজ আমদানিকারক (এজেন্ট) প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, স্ক্র্যাপ জাহাজ সৈকয়াতন করার পর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষ করে নাবিকদের নিজের দেশে পাঠানো হয়। জাহাজের ল্যান্ডিং অনুমোদনের পর বন্দর কর্তৃপক্ষ বিদেশ থেকে আসা নাবিকদের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে তারা দেশে যেতে পারেন।

তিনি বলেন, জাহাজে থাকা চীনা ১৭ নাবিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। বন্দর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাদের শরীরে কোওন ভাইরাস নেই। বিমানের টিকেট নিশ্চিত হলে তাদের জাহাজ থেকে নামিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সীতাকুণ্ডে তিন দিন ধরে জাহাজে ১৭ চীনা নাবিক

আপডেট সময় : ০২:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২০

নাঈম আহমেদ কপিল,
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাগর উপকূলে একটি স্ক্র্যাপ জাহাজে (কাটার জন্য আনা জাহাজ) তিন দিন ধরে অবস্থান করছেন ১৭ চীনা নাবিক। শনিবার বিকেলে সাগর উপকূলের সোনাইছড়ির লালবেগ শিপইয়ার্ডে জাহাজটি কাটার জন্য রাখা হলেও প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কে এসব নাবিককে নিচে নামতে দেওয়া হয়নি।

তবে এই ১৭ নাবিকের শরীরে কোনও করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন জাহাজ আমদানিকারক এজেন্সি মালিক।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায় বলেছেন, জাহাজের নাবিকদের তথ্য দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ তা জানায়নি। ফলে বিষয়টি সম্পর্কে তার জানা নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাপানের পতাকাবাহী ইউনি হারভেস্ট কার্গো জাহানটি ৯ হাজার মেট্টিকটন ওজনের। চীনা থেকে জাহানটি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ির লালবেগ শিপইয়ার্ডে কাটার জন্য শনিবার বিকেলে আনা হয়। যথা নিয়মে জাহাজটি ইয়ার্ডে সৈকতায়নও করা হয়। সৈকতায়নের পর জাহাজ থেকে নাবিকরা নেমে গেলেও এই ১৭ নাবিক এখনও জাহাজে রয়ে গেছেন।

জাহাজ আমদানিকারক (এজেন্ট) প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, স্ক্র্যাপ জাহাজ সৈকয়াতন করার পর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষ করে নাবিকদের নিজের দেশে পাঠানো হয়। জাহাজের ল্যান্ডিং অনুমোদনের পর বন্দর কর্তৃপক্ষ বিদেশ থেকে আসা নাবিকদের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে তারা দেশে যেতে পারেন।

তিনি বলেন, জাহাজে থাকা চীনা ১৭ নাবিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। বন্দর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাদের শরীরে কোওন ভাইরাস নেই। বিমানের টিকেট নিশ্চিত হলে তাদের জাহাজ থেকে নামিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।