নিজস্ব সংবাদদাতা,
শৈশব এর দুরন্তপনার মাঝেই একজন শিশু বিদ্যালয়ে যায়। শুরু শিক্ষা জীবনের নতুন অধ্যায়।একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটে বিদ্যালয়ে।সময়ের পরিক্রমায় বিদ্যালয়ের আঙিনা ছেড়ে পরবর্তী স্তরে যেতে হয় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে।
ছোটবেলায় অনিচ্ছাকৃত ভাবে স্কুলে যেতে হলেও দশম শ্রেনীর শেষ দিনটা সকলের কাছে হয়ে থাকে অনেক কষ্টের। বিদ্যালয় এর ছুটির ঘন্টা বেজে ওঠার সাথে সাথেই সকলের হৃদয় নাড়া দিয়ে উঠে।সেদিন বিদ্যালয় যেনো শিক্ষার্থীদের কাছে এক আবেগের নাম।বিদ্যালয় এর চেয়ার – টেবিল গুলো কান্না করে ডাকে তাদের নিকট আবার ফিরে আসতে।তাও সকল দুঃখ,কষ্ট ভুলে বিদায়বেলাকে আনন্দের সাথে উদযাপন করতে মেতে ওঠে শিক্ষার্থীরা। যার নাম দেওয়া হয় “ সিগনেচার -ডে ”।
বিদ্যালয়ের শেষদিন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী একে অপরের সাথে সকল রাগ / ঝগড়া / হিংসা /অভিমান ভুলে একে অপরের বিদ্যালয়ের ইউনিফর্মে নিজের নামের সাক্ষর দেন। যাতে স্কুল জীবন এর পর যে যেখানেই থাকুক না কেন তাদের নাম গুলো যেন একসাথে ফ্রেমবন্দী হয়ে থাকে
এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ফটোসেশানে ব্যাস্ত থাকতে দেখা যায়। সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ।প্রত্যেক বছর নভেম্বর – ডিসেম্বর মাসে চট্টগ্রামের প্রায় সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ এই সিগনেচার -ডে কে অনেক আনন্দের সাথে উদযাপন করেন।
এবং তাদের স্কুল ইউনিফর্ম কে তাদের সহপাঠী-বন্ধুদের নামে রাঙিয়ে তুলে ফ্রেমবন্দী করেন।