স্বাধীন বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে – ইলিয়াস হোসেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ ২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অবিস্মরণীয়। এ দেশ স্বাধীন না হলে আমারা আজ ডিসি, বিভাগীয় কমিশনার ও সচিব হতে পারতাম না, কেরানী হিসেবে থাকতে হতো। তাই স্বাধীন বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ করার বিষয়টি সারাজীবনের জন্য অনন্য উজ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এ সম্মান সর্বোচ্চ সম্মান। যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত রাখার পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অন্তরের অন্তস্থলে ধারণ করবো।

আজ ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ ইংরেজি বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা ইউনিট কমান্ড কর্তৃক জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি নিজের ও পরিবারের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত মহানগর, জেলা-উপজেলা কমান্ডের কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক ও ফুল দিয়ে জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেন।

ডিসি বলেন, চট্টগ্রামে কর্মকালীন সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট লাঘবে চেষ্টা অব্যাহত ছিল। সরকারের যে কোন উন্নয়ন কর্মকান্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহানুভবতা দিয়ে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। যেখানেই থাকি চট্টগ্রামের সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নে সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও জামুকাকে অবহিত করা হবে। কোন পিস কমিটির সন্তান যাতে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় স্থান না পায় সে ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে সজাগ থাকতে হবে।

চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর ও নগরীর চান্দগাঁওয়ের কালুরঘাট সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী খালি জায়গায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স গড়ার বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ শহীদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ডার মোঃ সাহাবউদ্দিন। জেলা প্রশাসকের সম্মাননা স্মারক পাঠ করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার আহমেদ হোসেন।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, জেলা সংসদের সহকারী কমান্ডার মোঃ আবদুর রাজ্জাক, উপজেলা কমান্ডের পক্ষে মিরসরাই থানা কমান্ডার কবির আহমদ ও মহানগরীর থানা কমান্ডের পক্ষে আকবর শাহ থানার ডেপুটি কমান্ডার মোঃ নূর উদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্বাধীন বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে – ইলিয়াস হোসেন

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০

নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অবিস্মরণীয়। এ দেশ স্বাধীন না হলে আমারা আজ ডিসি, বিভাগীয় কমিশনার ও সচিব হতে পারতাম না, কেরানী হিসেবে থাকতে হতো। তাই স্বাধীন বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ করার বিষয়টি সারাজীবনের জন্য অনন্য উজ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এ সম্মান সর্বোচ্চ সম্মান। যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত রাখার পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অন্তরের অন্তস্থলে ধারণ করবো।

আজ ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ ইংরেজি বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা ইউনিট কমান্ড কর্তৃক জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি নিজের ও পরিবারের জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত মহানগর, জেলা-উপজেলা কমান্ডের কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক ও ফুল দিয়ে জেলা প্রশাসককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করেন।

ডিসি বলেন, চট্টগ্রামে কর্মকালীন সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট লাঘবে চেষ্টা অব্যাহত ছিল। সরকারের যে কোন উন্নয়ন কর্মকান্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহানুভবতা দিয়ে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। যেখানেই থাকি চট্টগ্রামের সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নে সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও জামুকাকে অবহিত করা হবে। কোন পিস কমিটির সন্তান যাতে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় স্থান না পায় সে ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে সজাগ থাকতে হবে।

চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর ও নগরীর চান্দগাঁওয়ের কালুরঘাট সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী খালি জায়গায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স গড়ার বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আবু হাসান সিদ্দিক ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ শহীদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ডার মোঃ সাহাবউদ্দিন। জেলা প্রশাসকের সম্মাননা স্মারক পাঠ করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার আহমেদ হোসেন।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, জেলা সংসদের সহকারী কমান্ডার মোঃ আবদুর রাজ্জাক, উপজেলা কমান্ডের পক্ষে মিরসরাই থানা কমান্ডার কবির আহমদ ও মহানগরীর থানা কমান্ডের পক্ষে আকবর শাহ থানার ডেপুটি কমান্ডার মোঃ নূর উদ্দিন।