স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য জাবেদুল আজম মাসুদ করোনায় আক্রান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০ ৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব সংবাদদাতা,
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর নব নির্বাচিত সদস্য জাবেদুল আযম মাসুদ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আজ রবিবার দুপুর ২ঘটিকায় উনার (কভিড-১৯)করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে তিনি নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

করোনাকালীন এই ফ্রন্ট লাইন যোদ্ধা যখন কেউ ভয়ে ঘর থেকে বের হয়নি তখন তিনি চট্টগ্রামের অসহায়, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার পৌছে দিয়েছেন। চট্টগ্রামের অলি -গলি ঘুরে টানা ৩ মাস তিনি মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য নিজের বানানো টিম দিয়ে বানিয়েছিলেন এসএমএস গাড়ি। দেয়া হয়েছিল উনার ব্যক্তিগত নাম্বার। কেউ উনার নাম্বারে এসএমএস করলেই পৌছে যেতো খাদ্যসামগ্রী কিংবা কখনো কখনো ঔষধপত্র। ১০ টা মটরবাইক রেডি করে মানুষের বাসায় বাসায় খাবার দিয়ে এসেছে এই এসএমএস গাড়িগুলো মোবাইল এসএমএস এর ভিত্তিতে।
করোনাকালীন যখন কেউ করোনা রোগী তো দূরের কথা, সাধারন রোগীকেও স্পর্শ করতে দ্বিধাবোধ করছে তখন তিনি চট্টলাবাসীর কথা চিন্তা করে টানা ২ মাস নিজের অর্থায়নে চট্টলাবাসীকে দিয়েছেন ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস। উনার ব্যক্তিগত নাম্বারসহ তিনটি সার্ভিস নাম্বার চালু করে তিনি এই ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করেছিলেন। ফোন দেয়া মাত্রই আধা ঘন্টার ভেতর পৌছে যেতো এম্বুলেন্স। এই ফ্রি এম্বুলেন্স সাধারন রোগী ও করোনা রোগী কিংবা করোনা রোগীর লাশ বহন করেছে। যেখানে ছেলে বাবার লাশ ধরতে দ্বিধাবোধ করেছে সেখানে তিনি কিছু না ভেবেই ছুটে গিয়েছেন সেই লাশ নিজের কাঁধে নিতে।
করোনাকালীন উনি নিজে এবং উনার নেতৃত্বে অসংখ্য ছেলের দিন রাত সাধারন মানুষের পাশাপাশি করোনা রোগীদের সাথে সময় কাটিয়েছে। উনার সার্বিক সহযোগীতায় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল এর আকাশচুম্বী বিল কমাতে সক্ষম হয়েছে অনেক অসহায় পরিবার কেউবা ফিরে পেয়েছে তাদের স্বজনদের লাশ। বিল দিতে পারেনাই বলে তাদের যে কষ্ট সেটাকে করেছেন তিনি সহনীয়, দিয়েছেন সহযোগীতা।
করোনাকালীন এই অপ্রতিরোধ্য যোদ্ধা আজ নিজেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। চট্টলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি সুস্থ হয়ে ফিরলে আবারো চট্টলাবাসীর সেবায় নিজেকে যুক্ত করবেন বলে তার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য জাবেদুল আজম মাসুদ করোনায় আক্রান্ত

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০

নিজস্ব সংবাদদাতা,
চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর নব নির্বাচিত সদস্য জাবেদুল আযম মাসুদ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আজ রবিবার দুপুর ২ঘটিকায় উনার (কভিড-১৯)করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে তিনি নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

করোনাকালীন এই ফ্রন্ট লাইন যোদ্ধা যখন কেউ ভয়ে ঘর থেকে বের হয়নি তখন তিনি চট্টগ্রামের অসহায়, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার পৌছে দিয়েছেন। চট্টগ্রামের অলি -গলি ঘুরে টানা ৩ মাস তিনি মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য নিজের বানানো টিম দিয়ে বানিয়েছিলেন এসএমএস গাড়ি। দেয়া হয়েছিল উনার ব্যক্তিগত নাম্বার। কেউ উনার নাম্বারে এসএমএস করলেই পৌছে যেতো খাদ্যসামগ্রী কিংবা কখনো কখনো ঔষধপত্র। ১০ টা মটরবাইক রেডি করে মানুষের বাসায় বাসায় খাবার দিয়ে এসেছে এই এসএমএস গাড়িগুলো মোবাইল এসএমএস এর ভিত্তিতে।
করোনাকালীন যখন কেউ করোনা রোগী তো দূরের কথা, সাধারন রোগীকেও স্পর্শ করতে দ্বিধাবোধ করছে তখন তিনি চট্টলাবাসীর কথা চিন্তা করে টানা ২ মাস নিজের অর্থায়নে চট্টলাবাসীকে দিয়েছেন ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস। উনার ব্যক্তিগত নাম্বারসহ তিনটি সার্ভিস নাম্বার চালু করে তিনি এই ফ্রি এম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করেছিলেন। ফোন দেয়া মাত্রই আধা ঘন্টার ভেতর পৌছে যেতো এম্বুলেন্স। এই ফ্রি এম্বুলেন্স সাধারন রোগী ও করোনা রোগী কিংবা করোনা রোগীর লাশ বহন করেছে। যেখানে ছেলে বাবার লাশ ধরতে দ্বিধাবোধ করেছে সেখানে তিনি কিছু না ভেবেই ছুটে গিয়েছেন সেই লাশ নিজের কাঁধে নিতে।
করোনাকালীন উনি নিজে এবং উনার নেতৃত্বে অসংখ্য ছেলের দিন রাত সাধারন মানুষের পাশাপাশি করোনা রোগীদের সাথে সময় কাটিয়েছে। উনার সার্বিক সহযোগীতায় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল এর আকাশচুম্বী বিল কমাতে সক্ষম হয়েছে অনেক অসহায় পরিবার কেউবা ফিরে পেয়েছে তাদের স্বজনদের লাশ। বিল দিতে পারেনাই বলে তাদের যে কষ্ট সেটাকে করেছেন তিনি সহনীয়, দিয়েছেন সহযোগীতা।
করোনাকালীন এই অপ্রতিরোধ্য যোদ্ধা আজ নিজেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। চট্টলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি সুস্থ হয়ে ফিরলে আবারো চট্টলাবাসীর সেবায় নিজেকে যুক্ত করবেন বলে তার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।