হঠাৎ হাড় কাঁপানো পৌষের শীতে দুর্ভোগে পড়েছে শহর-গ্রামের মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৩১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আব্দুল কাইয়ুম,
হঠাৎ হাড় কাঁপানো পৌষের শীতে দুর্ভোগে পড়েছে শহর-গ্রামের মানুষ। কুয়াশায় ঢেকে আছে চট্টগ্রাম নগরীও।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হওয়া শৈত্যপ্রবাহ চলবে শনিবার (২১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত-এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল বলেন, ‘দেশজুড়ে চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে ঘন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় কুয়াশা থাকার ফলে সূর্যের আলো কম পড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে রাতে। এতে রাতের বেলায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। বর্তমানে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার গতিতে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। বাতাসের কারণে শীত বেশি অনুভব হচ্ছে। উত্তর, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে।

শীতের তীব্রতায় খড়কুটোর আগুনে উষ্ণতা খুঁজে ফিরছেন গ্রামাঞ্চলের শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ। শীত নিবারণে বাজারে লেপ-তোষক আর চাদর-কম্বলের সঙ্গে সোয়েটার-জ্যাকেটের মতো গরম কাপড়ের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হঠাৎ হাড় কাঁপানো পৌষের শীতে দুর্ভোগে পড়েছে শহর-গ্রামের মানুষ

আপডেট সময় : ১১:২৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৯

আব্দুল কাইয়ুম,
হঠাৎ হাড় কাঁপানো পৌষের শীতে দুর্ভোগে পড়েছে শহর-গ্রামের মানুষ। কুয়াশায় ঢেকে আছে চট্টগ্রাম নগরীও।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হওয়া শৈত্যপ্রবাহ চলবে শনিবার (২১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত-এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল বলেন, ‘দেশজুড়ে চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে ঘন কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় কুয়াশা থাকার ফলে সূর্যের আলো কম পড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে রাতে। এতে রাতের বেলায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। বর্তমানে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার গতিতে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। বাতাসের কারণে শীত বেশি অনুভব হচ্ছে। উত্তর, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে।

শীতের তীব্রতায় খড়কুটোর আগুনে উষ্ণতা খুঁজে ফিরছেন গ্রামাঞ্চলের শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ। শীত নিবারণে বাজারে লেপ-তোষক আর চাদর-কম্বলের সঙ্গে সোয়েটার-জ্যাকেটের মতো গরম কাপড়ের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে।