হোম টিউটর, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের করুণ অবস্থা, পাচ্ছেনা কোনো প্রণোদনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

হোম টিউটর, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের করুণ অবস্থা
পাচ্ছেনা কোনো প্রণোদনা

সাইফ উদ্দীন আহমেদ,
টিউশনি করে পরিবারের হাল ধরা অথবা নিজের খরচ চালানোর চেষ্টা করা শিক্ষিত বেকারদের জীবন বিপর্যস্থ। ভয়াবহ করোনার থাবায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় এবং নিজেদের ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে টিউশনগুলো বন্ধ রেখেছে তারা।

গত সাড়ে তিন মাস ধরে তাদের আর কোনো উপার্জন নেই। সরকারী কোনো প্রনোদনা ও পৌঁছালো না তাদের কাছে। আগামী ৬ আগষ্ট পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণায় তাদের ডিপ্রেশন আরও বেড়ে গেলো।

টিউটর রায়হান ও বাবু জানায়, বেশিরভাগ টিউটর কিন্ডার গার্টেন শিক্ষকতার পাশাপাশি টিউশনির সাথে যুক্ত। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবার ও অনেকাংশে আমাদের উপর নির্ভরশীল।বর্তমান পরিস্থিতিকে আর সামলানো যাচ্ছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারী হাই স্কুলের শিক্ষক জানান, এক সময় আমি বেসরকারী হাই স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি টিউশনি ও করেছি।আমার উপর ডিফেন্স ছিলো পুরো পরিবার। এখন আমি সরকারী হাই স্কুলের টিচার বেশ ভালো আছি।এখন বর্তমান পরিস্থিতিতে হোম টিউটর এবং বেসরকারী স্কুলের অবস্থা কতটুকু খারাপ তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

নিউজ এ এসেছে অনেক বেসরকারী হাই স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষকরা উপায় না পেয়ে স্কুল প্রাঙ্গনে ফল বিক্রি করছে এবং অনেকে স্কুল বিক্রয়ের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।অনেক স্কুল, কোচিং ও হোম টিউটর গরীব ও পথশিশুদেরকে বিনা পয়সায় পড়াতেন সেটা ও এখন বন্ধ।

এক কিন্ডার গার্ডেনের মালিক জানান, প্রতিমাসের বেতন থেকেই বিদ্যালয়ের ভাড়া, শিক্ষকদের সম্মানী পরিশোধ করা হতো। মার্চ মাস থেকে এ যাবৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং কোনো প্রক্রিয়া না থাকায় বেতন আদায় হচ্ছেনা।যার ফলে নিজের সংসার খরচ এবং বিদ্যালয়ের ভবনের ভাড়া পরিশোধ করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে শিক্ষকদের সম্মানী পরিশোধ।

এমতাবস্থায় হোম টিউটর এবং কিন্ডারগার্টেন ও হাইস্ককুলের শিক্ষকদের প্রনোদনার ব্যবস্থা করার জন্য মানণীয় প্রধানমন্ত্রীসহ স্থানীয় প্রশাসন এগিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হোম টিউটর, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের করুণ অবস্থা, পাচ্ছেনা কোনো প্রণোদনা

আপডেট সময় : ০৮:১৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

 

হোম টিউটর, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের করুণ অবস্থা
পাচ্ছেনা কোনো প্রণোদনা

সাইফ উদ্দীন আহমেদ,
টিউশনি করে পরিবারের হাল ধরা অথবা নিজের খরচ চালানোর চেষ্টা করা শিক্ষিত বেকারদের জীবন বিপর্যস্থ। ভয়াবহ করোনার থাবায় দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় এবং নিজেদের ও শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে টিউশনগুলো বন্ধ রেখেছে তারা।

গত সাড়ে তিন মাস ধরে তাদের আর কোনো উপার্জন নেই। সরকারী কোনো প্রনোদনা ও পৌঁছালো না তাদের কাছে। আগামী ৬ আগষ্ট পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণায় তাদের ডিপ্রেশন আরও বেড়ে গেলো।

টিউটর রায়হান ও বাবু জানায়, বেশিরভাগ টিউটর কিন্ডার গার্টেন শিক্ষকতার পাশাপাশি টিউশনির সাথে যুক্ত। নিজের খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবার ও অনেকাংশে আমাদের উপর নির্ভরশীল।বর্তমান পরিস্থিতিকে আর সামলানো যাচ্ছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারী হাই স্কুলের শিক্ষক জানান, এক সময় আমি বেসরকারী হাই স্কুলে শিক্ষকতার পাশাপাশি টিউশনি ও করেছি।আমার উপর ডিফেন্স ছিলো পুরো পরিবার। এখন আমি সরকারী হাই স্কুলের টিচার বেশ ভালো আছি।এখন বর্তমান পরিস্থিতিতে হোম টিউটর এবং বেসরকারী স্কুলের অবস্থা কতটুকু খারাপ তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

নিউজ এ এসেছে অনেক বেসরকারী হাই স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষকরা উপায় না পেয়ে স্কুল প্রাঙ্গনে ফল বিক্রি করছে এবং অনেকে স্কুল বিক্রয়ের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।অনেক স্কুল, কোচিং ও হোম টিউটর গরীব ও পথশিশুদেরকে বিনা পয়সায় পড়াতেন সেটা ও এখন বন্ধ।

এক কিন্ডার গার্ডেনের মালিক জানান, প্রতিমাসের বেতন থেকেই বিদ্যালয়ের ভাড়া, শিক্ষকদের সম্মানী পরিশোধ করা হতো। মার্চ মাস থেকে এ যাবৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং কোনো প্রক্রিয়া না থাকায় বেতন আদায় হচ্ছেনা।যার ফলে নিজের সংসার খরচ এবং বিদ্যালয়ের ভবনের ভাড়া পরিশোধ করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে শিক্ষকদের সম্মানী পরিশোধ।

এমতাবস্থায় হোম টিউটর এবং কিন্ডারগার্টেন ও হাইস্ককুলের শিক্ষকদের প্রনোদনার ব্যবস্থা করার জন্য মানণীয় প্রধানমন্ত্রীসহ স্থানীয় প্রশাসন এগিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরী।