নাঈম আহমেদ কপিল,
গত ৮ ই এপ্রিল প্রথম নারায়ণগঞ্জ ফেরত এক ব্যাক্তির করোনা শনাক্ত হয় সীতাকুণ্ডে। প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে সীতাকুণ্ডে। আজ ১৮ মে সীতাকুণ্ডে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১ জন, যা সীতাকুণ্ডের জন্য প্রথম। এই নিয়ে সীতাকুণ্ডে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৮ জন। ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি তে ১জন। চট্রগ্রাম ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটি ( CVASU)তে ৭ জন।
চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ সহ মোট ১১ জনের রিপোর্ট আজ পজেটিভ আসে।
সর্বশেষ তথ্য মতে সীতাকুণ্ডে মোট করোনা আক্রান্ত ৪০ জন, সুস্থ হয়েছেন ১০ জন, প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৭৫৮ জন, আইসোলেশনে আছে ৩০ জন।ভাটিয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে দুজন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া সীতাকুণ্ডের এক সাংবাদিক ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। বিয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর উদ্দিন রাশেদ।
প্রতিদিনে উপজেলায় নতুন নতুন করোনা রোগী সনাক্ত হলেও জনগণের মধ্যে সচেতনতা বালাই নেই এবং সামাজিক দূরত্বকে উপেক্ষা করে হাট-বাজারে ভিড় করছে সাধারণ লোক জন। এছাড়া সীতাকুণ্ডে বাজার কমিটি মার্কেট বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নিলেও। কিছু ব্যাক্তি প্রশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে দোকান খোলা রাখছে।
ক্যামেরার সামনে সামাজিক দুরুত্বের চিত্র ফুটে উঠলেও ক্যামেরার পেছনে চিত্র কিন্তু ভিন্ন।করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে থাকা মানুষগুলোর জন্য সরকারের প্রণোদনা ও ত্রাণ সহায়তা জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে প্রতিটি মানুষের কাছে। ত্রাণ সহায়তা গুলো জনো জনগণের মাঝে দেওয়ার সময় ক্যামেরার সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলেও ক্যামেরার পেছনে চিত্রটা থাকে তার উল্টো। প্রতিটা ইউনিয়ের চিত্রটাই একই। জনপ্রতিনিধিরা যেখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জনসাধারণের জীবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, সেখানেও তারা যদি এই ধরনের উদাসীনতার পরিচয় করোনা পরিস্থিতে কে আরো জটিল করে তুলতে পারে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রশাসন প্রতিনিয়ত বিষয়টা নিয়ে কাজ করছে। জনগন যদি নিজে সচেতন না হয় তাহলে প্রশাসনের সমস্ত চেষ্টা ব্যার্থ।তাই সবার আগে জনগনকে সচেতন হতে হবে। আর জনগন সচেতন হলো এই করোনার মহামারী থেকে সকলেই সুস্থ থাকতে পারবো।