Home আমার চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম জেলা লোহাগাড়ায় ঝগড়া থামাতে এসে এক পক্ষের হামলায় আহত ফরিদুল আলম, মামলা দায়ের

লোহাগাড়ায় ঝগড়া থামাতে এসে এক পক্ষের হামলায় আহত ফরিদুল আলম, মামলা দায়ের

নিস্বজ প্রতিনিধিঃ
লোহাগাড়ার চুনতিতে ঝগড়া মিটাতে গিয়ে এক পক্ষে হামলায় মো. ফরিদুল আলম (৪৭) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছে। গত ২৭ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় ইউনিয়নের ফারাঙ্গা হাজার ভিটায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে পরদিন চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী অভিযোগ দায়ের করেন।

মামলা বাদী ওই এলাকার আছহাব মিয়ার পুত্র মো. ফরিদুল আলম (৪৭)। প্রতিপক্ষরা হলেন একই এলাকার নুরুন্নবী (৩২), মো. মমতাজ (৪৮), মো. আলতাপ মিয়া (৩৮), মো. শাহাব উদ্দিন (৩৪), মো. মুছা (৬০) ও মেহেদী হাসান রানা (২০)।

অভিযোগে প্রকাশ, অভিযোগকারীর সাথে প্রতিপক্ষ মো. মুছার দীর্ঘদিন যাবত জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ঘটনারদিন জায়গা-জমির বিরোধ নিয়ে স্থানীয় জানে আলম পক্ষের সাথে প্রতিপক্ষদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রতিপক্ষরা বেআইনী জনতাবদ্ধ হয়ে অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মারামারি করে।

অভিযোগকারী দেখতে পেয়ে দোকান থেকে বের হয়ে উভয় পক্ষের ঝগড়া থামাতে যায়। এ সময় প্রতিপক্ষ নুরুন্নবীর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে অভিযোগকারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে। এতে অভিযোগকারী রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটি পড়ে যায়। এরপর প্রতিপক্ষ মমতাজ হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড ও আলতাপ মিয়া গাছের বাটামা দিয়ে আঘাতে করলে অভিযোগকারী হাত দিয়ে প্রতিহত করে। এতে তার হাতে মারাত্মক হাড় ফাটা জখম হয়।

এ সময় অভিযোগকারীর ভাতিজা মো. সোয়াইবুল ইসলাম (১৭) এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষ মুছা গাছের বাটাম দিয়ে মাথায় আঘাত করলে রক্তাক্ত জখম হয়।

এছাড়া প্রতিপক্ষরা অভিযোগকারী ও তার ভাতিজাকে লোহার রড ও গাছের বাটাম দিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে ফোলা জখম করে। প্রতিপক্ষ শাহাব উদ্দিনের হাতে থাকা কিরিচ দিয়ে অভিযোগকারীকে জবাই করার চেষ্টা করে ও মেহেদী হাসান রানা অভিযোগকারীর পকেটে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

অভিযোগকারীর শোরচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে অভিযোগকারীর ছেলে আফিস ভূঁট্ট ও হেলাল উদ্দিন আশপাশের লোকজনকে সাথে নিয়ে আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

অভিযোগকারীর ছেলে আফিস ভুঁট্টু জানান, তার পিতা উভয় পক্ষের বিরোধ থামানোর জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষরা পূর্বশত্রুতার জের ধরে তার পিতা আঘাত মারাত্মক জখম করে।

এছাড়া প্রতিপক্ষদের দায়ের করা মামলায় তার পিতা ও দুই ভাইকে আসামী করা হয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক। অপরদিকে, প্রতিপক্ষদের কারো সাথে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তাই এই ব্যাপারে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here