নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম শহর থেকে আসা বটতলী শাহ মোহছেন আউলিয়া গামী বাসগুলোর বটতলী রুস্তমহাট বাজারে অবস্থান করতে গিয়ে রাস্তার উপরে পার্কিং করে প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি করতে দেখা যাচ্ছে।
তাদের নির্দিষ্ট পার্কিং বা নির্দিষ্ট কোন বাসষ্টেশন না থাকার কারণে এই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে যা নতুন বাসষ্টেশন নামে সবাই বললেও সে ষ্টেশন রাস্তার উপরে সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানান যাত্রীরা,বটতলী কলেজ,পশ্চিমচাল মাদরাসা,মেরিন একাডেমী কলেজে যাওয়া ছাত্র/ছাত্রীদের বেশিরভাগ যানজটের শিকার হতে দেখা যায়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যাই রুস্তমহাট বাজারের পূর্ব পাশের হাজিগাও সড়কের সেই আগের পূরাতন বাসষ্টেশনকে পরিত্যক্ত রেখে বাজারের পশ্চিমদিক গরুবাজারের সড়কের উপর প্রায় ৭/৮ টি বাস পার্কিং করে শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দাড়িয়ে আছে যা নতুনব্রিজ,বহদ্দারহাট যাওয়ার জন্য যাত্রী নিতে লাইনম্যানের সিরিয়ালের অপেক্ষারত!
আরো জানা যায় এই সড়কে প্রতিদিন প্রায় ৩৫/৪০টি গাড়ী চলাচল করেন যার লাইনম্যান খরচ হিসেবে দিতে হয় প্রতি গাড়ি দৈনিক ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে।
একজন যাত্রী অভিযোগ করে বলেন উপজেলা প্রশাসন চাইলে বটতলী বাজারে বর্তমানে যে পরিত্যক্ত জায়গাতে গরু গোস্ত বিক্রি করতেছে সেখানে নতুন বাসষ্টেশন এর নির্দিষ্ট জায়গা করে দেওয়া সম্ভব,তিনি আরো বলেন বাজারের ইজাদাররা টাকার লোভে গরু বাজারকে ট্রাক মিনি পিকআপ এবং টলি গাড়ির বাজারে পরিনত করেছেন,যা বর্তমানে সেখানে অপরিচ্ছন্ন জায়গাতে গরু জবাই করে সপ্তাহের দুইদিন শুক্র এবং সোমবার রাস্তার পাশে পরিত্যক্ত জায়গা গরু মাংস বিক্রি করতে টংঘর করেছে ব্যবসায়ীরা,চাইলে সেখানেও বাস পার্কিং করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
এ ব্যাপারে বাজারের একজন ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন,বটতলী বাজার ইজাদারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন কিছুদিন আগে ইউএনও মহোদয় বাজারের নির্দিষ্টকরণনীতি করে দিলে বাজারের ইজাদাররা প্রতি হাটবারে আমাদের দোকানকে ঘেরাও করে বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে দেন,এতে আমরা বাধাঁ দিলে পাল্টা হুমকি প্রদান করেন বাজারের ইজাদাররা।
তিনি আরো বলেন গরু বাজারের পশ্চিম পাশে কিছু টিনশেডের করা পরিত্যক্ত দোকানে প্রতিদিন গরু জবাই করে দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে আছে যা বর্তমানে অপরিচ্ছন্নতা পরিবেশে পরিণত হয়েছে এবং তারা গরু বাজারকে গাড়ী বাজারে পরিণত করেছে যা প্রশাসনকে অবগত হয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।