Home সর্বশেষ সংবাদ এক্সক্লুসিভ মোটরসাইকেলে ঝরে গেল সন্দ্বীপ সন্তান তরুণ কচি

মোটরসাইকেলে ঝরে গেল সন্দ্বীপ সন্তান তরুণ কচি

মোটরসাইকেলে ঝরে গেল সন্দ্বীপ সন্তান তরুণ কচি

সন্দ্বীপ প্রতিনিধি,
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে ঘটছে সন্দ্বীপে। বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানোর খেসারত ইতিপূর্বেও অনেককে দিতে হয়েছে। ১৮ বছর হয়নি এমন চালকও এখন স›দ্বীপে কম নয়। আবার গাড়িকে নিজের আয়ত্তে রাখাটা দুস্কর এমন চালকের সংখ্যাও অসংখ্য। দুর্ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। তবুও ভুলে যান চালকরা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কথা। মোটরসাইকেলে উঠলেই হুশ থাকেনা আনেক চালকের। যেন বিমান চালান তারা। চালকদের এমন বেপরোয়া গাড়ি চালাতে দেখে অনেক সময় ভয় পান পথচারীও। কিন্তু চালক এই দুই চাকার গাড়ি চালিয়ে যান তার মত করেই।

এভাবে কেউ নিজের গাড়িকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে আহত হচ্ছেন। আবার কেউ অন্যের গাড়ির মাধ্যমে আঘাত প্রাপ্ত হচ্ছেন। তবুও সচেতনতা পরিলক্ষিত হয়না চালকদের মাঝে।
২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারি, সোমবার দুপুর ২টায় গাছুয়া গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছোট ছেলে কাটগড় মাদ্রাসার আলিমের ছাত্র আজিজুর রহমান রাব্বি বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সেনেরহাটের পূর্ব পাশে আনন্দ পাঠশালা সংলগ্ন এলাকায় নিজের গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলে নিমিষেই আমরা হারায় তরুণ প্রাণ রাব্বিকে। পথচারী তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আশার আগেই নিরব-নিথর হয়ে যায় রাব্বির সুঠাম দেহ।

ঠিক দুই বছরের মাথায় আমরা হারালাম আরেক স›দ্বীপ সন্তান তরুণ গোলাম সারোয়ার কচিকে। সন্দ্বীপ মগধরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড (সংরক্ষিত) আসনের মহিলার মেম্বার রেজিয়া বেগমের ছেলে কচি।
গত ৬ জুলাই রাতে মোটরসাইকেল এক্সিডেন্টে নিজ এলাকায় গুরুতর আহত হলে ঐ দিন রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম শহরে আনা হয়। ৭ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে অবশেষে ১৩ জুলাই রাত ১০ টায় চলে গেল কচি না ফেরার দেশে।

সন্দ্বীপে এক সময় প্রতি বাড়িতে সাইকেল থাকার প্রচলন থাকলেও বর্তমানে প্রতি বাড়িতে রয়েছে অন্তত ২/৩টি করে মোটরসাইকেল। প্রতি বাজারে মোটরসাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়। লাইসেন্স আছে হাতেগনা কিছু গাড়ির। কিছু গাড়ি থানাকে মাসিক টোকেন মানি দিয়ে চালায়। আর লাইসেন্সবিহীন কতগুলো গাড়ী আছে তার কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here