নিজস্ব সংবাদদাতা,
আরিফ উল্যাহ চৌধুরী একজন তরুণ উদীয়মান রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও বর্তমান মীরসরাই মঘাদিয়া ইউনিয়নে ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বারপ্রার্থী।
তাছাড়াও তিনি একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। তিনি জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল দেশ বাংলা ৭১ নিউজ এর উপদেষ্টা।
সামাজিক কাজে সরাসরি যুক্ত তিনি। বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন দূর্বার তারুণ্যের চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০০৪ সালে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির মধ্য দিয়ে প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় তার। রাজনীতির মাঠে সবসময় সক্রিয় ও বিশেষ অবদান রেখেছেন তিনি। পরবর্তীতে উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এমএ পাস করে শহরে আসেন। সেখানে এসেও তার কাজ বন্ধ হয় নি, রাজনীতি থেকে একটু দূরে গেলেও সরাসরি যোগ দিয়েছেন সামাজিক সংগঠনে। বর্তমানে দূর্বার তারুণ্য এর কেন্দ্রীয় ও জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা, হালিশহর থানা শাখার উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন।
আসন্ন ১১ ই নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে গ্রামের মানুষের পাশে থাকার জন্য ও মাদকমুক্ত গ্রাম তৈরির লক্ষ্যে মীরসরাই এর মঘাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হয়েছেন।
আলাপকালে তিনি জানান, আগামীতে মঘাদিয়া ইউনিয়নে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার হয়ে আওয়ামী রাজনীতিকে আরো শক্তিশালী এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করে বাংলাদেশকে ডিজিটাল দেশে রুপান্তরিত করতে চান।
এসময় তিনি বলেন, বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল স্থাপন, গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ, বিধাব ভাতা প্রদানসহ দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি আওয়ামীলীগের একজন সক্রীয় কর্মী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় চট্টগ্রাম ১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে ২০৪১ সালের ভিশনকে সামনে রেখে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করে যেতে চাই।
নির্বাচন হোক সবার অংশ গ্রহনের মধ্যদিয়ে। জনগন পাক তার মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ। দলমত নির্বিশেষে তিনি জণগনের সেবা করতে চান বলে সর্বশেষ জানিয়েছেন।
তার সম্পর্কে দূর্বার তারুণ্যের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, আমি এরকম মানুষ খুব কমই দেখেছি। এতটাই প্রচার বিমুখ সে, যে দূর্বার তারুণ্য এর কমিটিও তাকে এক প্রকার সেধে দেয়া হয়েছিল। এমন মানুষ গ্রামমুখী হলে সাময়িক ক্ষতির সম্মুখীন আমার সংগঠন হতে পারে। কিন্তু তবুও গ্রামের বৃহৎ স্বার্থে তার এ সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই ও তিনি জিতবেন বলে আমরা আশাবাদী।
সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, প্রচারণায় এগিয়ে আরিফ উল্যাহ চৌধুরী। সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা পাচ্ছেন তরুণ প্রজন্ম থেকে। শত শত তরুণের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি। তার মার্কা মোরগ হওয়ায় সবাই আরও উচ্ছ্বসিত।



