নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আনোয়ারার ২নং বারশত ইউনিয়নে এক ভুয়া বাসিন্দার সন্ধ্যান মিলেছে।সে দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সনদও ব্যাবহার করে আসছেন বলে জানা যায়।
অনুসন্ধানে পাওয়া যায়,সোহাগ তালুকদার প্রকাশে সোহাগ খা, সে বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা দাবি করলেও সে আসলে বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা নয়।
সে বারশত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রাপ্ত সনদসহ তার সকল কাগজ পত্রে যে ঠিকানা ব্যাবহার করেছেন সেটি পুরাটাই মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রবন।সে ব্যাবহার করেছেন,সোহাগ তালুকদার পিতাঃআবদুস সালাম তালুকদার, গ্রামঃবোয়ালিয়া(তালুকদার বাড়ি),থানা আনোয়ারা,জেলা চট্টগ্রাম।
মরহুমের আবদুস সালামের ঔয়ারিশগন জানান,সোহাগ নামে মরহুম আবদুস সালামের কোনো ঔয়ারিশ ছিল না,নেই।এই নামে জনৈক ব্যাক্তি দিনের পর দিন তাদের ব্ল্যাকমেইল করে আসছে,ভয় ভীতি দেখাচ্ছে।সে এই পর্যন্ত অনেক ক্ষতি করেছেন।মাঝে মাঝে বাড়িতে দলবল নিয়ে নিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।কিন্তু তার সকল সনদ ও ভোটার কার্ডে রয়েছে আবদুস সালাম পরিচয়।সেই তথ্যটি পুরাপুরি মিথ্যা বলে জোড়ালো দাবি করেছেন ঔয়ারিশগন।
এই ব্যাপারে বারশত ইউনিয়ন পরিষদে একটি লিখিত আবেদন দেয়া হয়েছে।তার লেলিয়ে দেয়া বাহিনীর ফোনে হুমকির বিপরীতে আনোয়ারা থানায় একটি জিডি করা হয়।
সোহাগের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়,মোঃ সোহাগ প্রকাশে সবুজ,বাবাঃ চান খা মাতাঃমেরী বেগম,বরফকল,বরিশাল।
কি কারনে সে নিজ পরিচয় গোপন করে বরিশাল থেকে চট্টগ্রামে পাড়ি জমিয়েছেন তা এখনো রহস্যময়।
তবে ছলছাতুরী নাম ও ঠিকানা ব্যাবহার এর কারন হিসাবে পাওয়া যায় সোহাগের বহুদিনের স্বপ্ন ছিল চট্টগ্রাম থেকে বিয়ে করে চট্টগ্রামবাসী হবেন।আর সেই সুত্রধরে সোহাগ প্রথমে ৫ লক্ষ দেনমোহরে একটি বিয়ে করেন আনোয়ারা ছত্তারহাট উশকাইন গ্রাম থেকে। বিয়ের কিছুদিন পরে বউয়ের গায়ের থেকে গন্ধ আসছে বলে সামান্য অযুহাতে হামিদা নামক অবলা নারীর কোমলমতি মনটি ভেঙ্গে দেয়া হয়।২৫ শে ফেব্রুয়ারি ২০১৪সালে,আনোয়ারা চাতরী কাজী অফিসে দেয়া হয় তাকে ডিভোর্স।
পরে সত্য গোপন করিয়া বারশত ইউনিয়নের ওয়াহেদ পাড়া থেকে আবারো দ্বিতীয় বিবাহ করেন।আস্তে আস্তে নিজেকে দাবী করতে থাকে বারশতের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে।বিষয়টির সত্যতা লোকমুখে জানাজানি হলে শহরে গিয়ে গা ঢাকা দিয়ে সরে পরেন।আত্বগোপনে থেকেও বারশতের পরিচয়ে বিভিন্ন ফায়েদা লুটে চলেছেন।
সে একইভাবে মরহুমের ঠিকানা ব্যাবহার করে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতেও চাকুরিরত অবস্থায় আছেন।
এ ব্যাপারে সোহাগের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।