পাহাড়তলীতে হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০১৯ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাহাড়তলীতে হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক

আল আমিন চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

চসিকের ব্যয় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়েপাহাড়তলী রেলওয়ে জাদুঘর সংলগ্ন প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্যে নির্মিত হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক। পাহাড়-সমতল ঘেরা মনোরম পরিবেশে শিশুদের আনন্দ-বিনোদনের পাশাপাশি নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এই পার্কটি নির্মাণ করছে। রেলওয়ের প্রায় দুই একর জায়গা জুড়ে অনেকটা ডিসি হিলের আদলে পার্কটি গড়ে তুলতে ব্যয় করা হচ্ছে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগামী ৩ মাসের মধ্যে পার্কের কাজ শেষ হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পার্কের ডিজাইন ও ড্রয়িং তৈরি করেছে ‘ত্রিমাত্রিক’ ও ‘অ্যাডিপিস’ নামের দুটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। তাদের ডিজাইনেই পার্কের নির্মাণ কাজ চলছে। পার্ক তৈরির উপ-প্রকল্প পরিচালক ও চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব সাংবাদিকদের জানান, ডিসি হিলের আদলে পাহাড়তলী রেলওয়ে জাদুঘরের নিচে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক। এ পার্ক তৈরি হলে শিশুদের বিনোদনের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি পার্কটিতে স্থানীয় লোকজনের আনন্দ-বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি জানান, পার্কে কিডস্‌ জোন, শিশুদের জন্য হাতি-ঘোড়ার রেপ্লিকা ও রাইডসহ খেলনা সামগ্রী, স্মৃতিসৌধ, মুক্তমঞ্চ, গ্যালারি, দর্শনার্থীদের বসার জায়গা, রেস্টুরেন্ট, শহীদ মিনার, শেখ রাসেলের আবক্ষ মূর্তি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের উল্লেখযোগ্য দিকের বক্তব্য প্রদর্শন এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান করার সুযোগ থাকবে। আবু সাদাত মো. তৈয়ব বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন এখানে একটি পার্ক করার জন্য মেয়রকে বলেছিলেন। পরবর্তীতে উনার প্রস্তাবে আমরা ডিডিপি তৈরির সময় পার্ক নির্মাণের প্রকল্পটি সংযুক্ত করেছিলাম। একনেকে অনুমোদন হওয়া চসিকের ১২০ কোটি টাকার বিভিন্ন এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ পার্কের অর্থায়ন হচ্ছে। এই জায়গাটির মালিক রেলওয়ে। পার্কটি সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’
রেলওয়ের এস্টেট বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড়তলী রেলওয়ে জাদুঘরসহ এই জায়গার দেখাভাল করার দায়িত্ব রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ তরুণ কান্তি বালার। এ ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘জায়গাটি রেলওয়ের। তবে সিটি কর্পোরেশন স্থানীয় জনগণের জন্য পার্ক তৈরি করছে। এখানে বসার জন্য পার্ক করলে তেমন অসুবিধা হবে না। এলাকার মানুষ আনন্দ-বিনোদনের সুবিধা পাবে। স্থানীয় এমপি ও কাউন্সিলরের উপর এলাকার মানুষের প্রতি কিছুটা দায়বদ্ধতা থাকে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই পার্কটি নির্মিত হচ্ছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাহাড়তলীতে হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক

আপডেট সময় : ০১:১৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অগাস্ট ২০১৯

পাহাড়তলীতে হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক

আল আমিন চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ

চসিকের ব্যয় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়েপাহাড়তলী রেলওয়ে জাদুঘর সংলগ্ন প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্যে নির্মিত হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক। পাহাড়-সমতল ঘেরা মনোরম পরিবেশে শিশুদের আনন্দ-বিনোদনের পাশাপাশি নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এই পার্কটি নির্মাণ করছে। রেলওয়ের প্রায় দুই একর জায়গা জুড়ে অনেকটা ডিসি হিলের আদলে পার্কটি গড়ে তুলতে ব্যয় করা হচ্ছে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগামী ৩ মাসের মধ্যে পার্কের কাজ শেষ হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পার্কের ডিজাইন ও ড্রয়িং তৈরি করেছে ‘ত্রিমাত্রিক’ ও ‘অ্যাডিপিস’ নামের দুটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান। তাদের ডিজাইনেই পার্কের নির্মাণ কাজ চলছে। পার্ক তৈরির উপ-প্রকল্প পরিচালক ও চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব সাংবাদিকদের জানান, ডিসি হিলের আদলে পাহাড়তলী রেলওয়ে জাদুঘরের নিচে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক। এ পার্ক তৈরি হলে শিশুদের বিনোদনের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি পার্কটিতে স্থানীয় লোকজনের আনন্দ-বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি জানান, পার্কে কিডস্‌ জোন, শিশুদের জন্য হাতি-ঘোড়ার রেপ্লিকা ও রাইডসহ খেলনা সামগ্রী, স্মৃতিসৌধ, মুক্তমঞ্চ, গ্যালারি, দর্শনার্থীদের বসার জায়গা, রেস্টুরেন্ট, শহীদ মিনার, শেখ রাসেলের আবক্ষ মূর্তি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের উল্লেখযোগ্য দিকের বক্তব্য প্রদর্শন এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান করার সুযোগ থাকবে। আবু সাদাত মো. তৈয়ব বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন এখানে একটি পার্ক করার জন্য মেয়রকে বলেছিলেন। পরবর্তীতে উনার প্রস্তাবে আমরা ডিডিপি তৈরির সময় পার্ক নির্মাণের প্রকল্পটি সংযুক্ত করেছিলাম। একনেকে অনুমোদন হওয়া চসিকের ১২০ কোটি টাকার বিভিন্ন এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ পার্কের অর্থায়ন হচ্ছে। এই জায়গাটির মালিক রেলওয়ে। পার্কটি সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’
রেলওয়ের এস্টেট বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড়তলী রেলওয়ে জাদুঘরসহ এই জায়গার দেখাভাল করার দায়িত্ব রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ তরুণ কান্তি বালার। এ ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘জায়গাটি রেলওয়ের। তবে সিটি কর্পোরেশন স্থানীয় জনগণের জন্য পার্ক তৈরি করছে। এখানে বসার জন্য পার্ক করলে তেমন অসুবিধা হবে না। এলাকার মানুষ আনন্দ-বিনোদনের সুবিধা পাবে। স্থানীয় এমপি ও কাউন্সিলরের উপর এলাকার মানুষের প্রতি কিছুটা দায়বদ্ধতা থাকে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই পার্কটি নির্মিত হচ্ছে।’